চট্টগ্রামে কামাল আহমেদ

উসকানি দেওয়া  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তদন্তের পক্ষে কমিশন

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ‘উসকানিদাতা’ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তদন্তের পক্ষে মত দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ। গতকাল রবিবার দুপুরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ মতামত জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কামাল আহমেদ বলেন, ‘আমরা কোনো তদন্ত সংস্থা না। আমরা কোনো অপরাধের তদন্ত করতে পারব না। তবে হ্যাঁ, আমরা এটা বলতে পারি, উসকানিদাতা সাংবাদিকদের ব্যাপারে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাদের (উসকানি দাতা) শাস্তি দেওয়া হবে। এটা ফৌজদারি অপরাধ। বিশেষ করে হত্যার জন্য যদি উসকানি হয়।

রাজনৈতিক দলবাজি সাংবাদিকতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে মন্তব্য করে কামাল আহমেদ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলবাজি বন্ধ করা দরকার পেশার জন্য। কারণ দলীয় রাজনীতির আদর্শ থেকে খবর সেন্সর ও বিকৃত করা সাংবাদিকতাকে প্রভাবিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতার কোনো নীতিমালা নেই, কথাটি ঠিক না। সাংবাদিকতার অনেকগুলো নীতিমালা আছে। আবার আমরা যদি বলি সম্পাদকীয় নীতিমালা নেই। সেটা সত্য কথা। সেটার জন্য আমরা সম্পাদক পরিষদকে বলেছি। আসলেই একটি জাতীয় নীতিমালা থাকা দরকার। আমরা আশা করছি, সম্পাদক পরিষদ সে উদ্যেগটি নেবেন।’ সংবাদপত্র-সংক্রান্ত নীতিমালা থাকলেও সেটা কার্যকর হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

এ সময় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক গীতিআরা নাসরীন, শামসুল হক জাহিদ, আখতার হোসেন খান ও বেগম কামরুন্নেছা হাসান উপস্থিত ছিলেন।