তাঁতবোর্ডের চেয়ারম্যানসহ ১৫ কর্মকর্তা অবরুদ্ধ

নরসিংদী তাত বোর্ডের চেয়ারম্যান, নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলার  ইউএনও এবং অধ্যক্ষসহ ১৫জন কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে নরসিংদী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একটি কক্ষে তারা অবরুদ্ধ রয়েছেন।

অবরুদ্ধরা হলেন, তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু আহমদ ছিদ্দীকী (এনডিসি), সদস্য (পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন) (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, যুগ্ম সচিব ও পরিচালক (প্রশাসন) (অ:দা:) আকরামুজ্জামান, প্রধান হিসাব রক্ষক এবং প্রকল্প পরিচালক (অ:দা:) সুকুমার চন্দ্র সাহা, প্রকল্প পরিচালক (অ:দা:),মো. আইয়ুব আলী,ব্যবস্থাপক (অপারেশন) মো. মনজুরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপক (রক্ষণাবেক্ষণ) মো. সাইফুল হক, নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফারজানা আলম, নরসিংদী সদর উপজেলা  নির্বাহী করমকর্তা আসমা জাহান সরকার, নরসিংদী টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবুল হকসহ অন্তত ১৫জন। 

শিক্ষার্থীদের দাবি, তাঁতবোর্ডের অধীন থেকে বস্ত্র অধিদপ্তরের আওতায় তাদের কলেজ স্থানান্তরিত করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত আন্দোলন করে আসছে তারা। এরই অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা বেশ কয়েকবার ঢাকায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সভা সমাবেশ ও মানববন্ধন করে। ফলশ্রুতিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য একাধিকবার আশ্বাস দিয়েও তা পূরণ না হওয়ায় আজ তারা এই কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা অনড় থাকবেন। 

অবরুদ্ধ হওয়া কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে আমরা একাত্মতা পোষণ করছি। কিন্তু শিক্ষার্থীরারা যেভাবে চাইছেন এখনই সিদ্ধান্ত দিয়ে দেয়া এটা এখনই আমাদের পক্ষে সম্ভব না। তবে ছাত্রদের দাবি নিয়ে আমরা কাজ করছি।

তাত বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু আহমদ ছিদ্দীকী (এনডিসি) বলেন, শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান করতে কলেজের হলরুম সভায় মিলিত হলে শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে অবরুদ্ধ করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরী উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর আশ্বাস দেন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ও সেনাবাহিনী অবস্থান নিয়েছে।।