আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রভাবশালী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের ডিও লেটারে (সুপারিশ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ও হাসপাতালে কতজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়োগ, পদায়ন, বদলি করা হয়েছে তার অনুসন্ধান শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। গত ৩০ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে হাছান মাহমুদ ও তার পাঁচ ভাই, একান্ত সহকারীসহ ১০ জনের তথ্য চেয়ে চিঠি দেওয়ার পর ওই বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে চমেক কর্তৃপক্ষ।
গতকাল সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সাবেক মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের ডিও লেটারে অত্র সংস্থায় কারও চাকরি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আমরা অনুসন্ধান শুরু করেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কিছু পাওয়া যায়নি। তথ্য পেলে দুদককে জানিয়ে দেওয়া হবে।’
জানা গেছে, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, তার স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের সাত সদস্যের সুপারিশে চমেক ও হাসপাতালে ২০১০ সাল থেকে ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত কতজনের নিয়োগ, বদলি কিংবা পদায়ন হয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য চেয়ে চমেক কর্তৃপক্ষের কাছে গত ৩০ ডিসেম্বর চিঠি দেয় দুদক। একই চিঠিতে দুদক আরও ছয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিষয়েও তথ্য চেয়েছে। সাত কার্যদিবসের মধ্যে এ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে দুদকের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।