বিপিএলের সিলেট পর্বের প্রথম দিনেই দেখা গেছে ছক্কার উৎসব। দুটি ম্যাচ মিলিয়ে মোট ৪৫টি ছক্কা হয়েছে। গতকাল সিলেট স্ট্রাইকার্স ও রংপুর রাইডার্সের ম্যাচে ৩১টি ছক্কা হয়েছে, যা বিপিএল রেকর্ড। ফরচুন বরিশাল ও দুর্বার রাজশাহীর ম্যাচে হয়েছে ১৪টি ছক্কা। ছক্কাবৃষ্টির পর রাজশাহীর বিপক্ষে ৪৮ বলে অপরাজিত ৮৬ রান করে ম্যাচসেরা তামিম বললেন, সিলেটের বাউন্ডারি সীমানা ছোট করা উচিত।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খালি চোখেই বোঝা যায় যে, এর বাউন্ডারি লাইন বেশ ছোট। মিরপুর শেরেবাংলাতেও এবার সীমানা ছোট করা হয়েছে। অবশ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে তামিম ইকবালের জন্য এটা সুবিধাই। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবেই তিন বাউন্ডারি সীমানা বড় করতে বলেছেন। বিপিএলে চার-ছক্কা-রান বাড়ানোর জন্য সীমানা ছোট করে দেওয়ার এই কৌশল ভালো লাগেনি অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের।
গতকাল সোমবার রাজশাহীর বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তামিম বলেন, ‘যেভাবে মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে, সেটা খুব ভালো। আমি যা দেখতে চাই, তা হলো আরও বড় সীমানা। জায়গা যখন আছে, তাহলে ৫৮-৬০ গজের বাউন্ডারিতে আমরা কেন খেলছি, জানি না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬৫-৭০ গজের বাউন্ডারি দেখা যায়। তখন বোলারদের জন্য কিছুটা সুযোগ থাকে।’
তামিম আরও বলেন, ‘উইকেট এবার এত ভালো যে কিউরেটরদের কৃতিত্ব দিতে হবে। দুর্দান্ত উইকেট তৈরি করেছেন তারা। তবে উইকেট যখন এত ভালো থাকে, তখন সীমানা বাড়িয়ে দেওয়া উচিত, বিশেষ করে যদি জায়গা থাকে। তাহলে বোলারদের জন্যও সুযোগ থাকে। এই মুহূর্তে বোলারদের জন্য কিছু নেই। শীর্ষ কর্তারা যারা সিদ্ধান্ত যা গ্রহণ করেন, আমার আশা ও প্রার্থনা, তারা আমার কথা শুনছেন এবং এই বাউন্ডারি আরেকটু পিছিয়ে দেবেন। কারণ জায়গা তো আছেই।’