চকরিয়ায় কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আটক ৭

কক্সবাজারের চকরিয়ার বদরখালীতে এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় সন্দেহভাজন সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার ভোর থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মহেশখালীর শাপলাপুর ও চকরিয়ার বদরখালী থেকে চারজনকে আটক করা হয়। এর আগে গত সোমবার রাতে বদরখালী ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।

গতকালের আটককৃতরা হলেন, বদরখালীর সজীব, ছোটন, তাজুল ও অমিত হাসান। গত সোমবার বশির (৩৮), শাহজাহান (২৭), কাজল (২৩)। 

চকরিয়া থানার ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন. মঙ্গলবার সকালে গোপন সূত্রে তিনজনকে শাপলাপুরের একটি মৎস্য ঘের থেকে আটক করা হয়। বিকেলে দিকে ছাত্র জনতা আটক করেন বদরখালী আকতার মেম্বারের (৫ নম্বর ওয়ার্ড) চাচাতো ভাই অমিত হাসানকে। এ ছাড়া এর আগে সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।

ওই কিশোরীর মামা জানান, চিকিৎসার কাজে ব্যস্ত থাকায় এখনো এজাহার জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে পুলিশ ভিকটিম ও তার বাবাকে চকরিয়া থানায় নিয়ে গেছেন। আমিও চকরিয়া থানার পথে। পুলিশের সঙ্গে কথা বলে রাতের মধ্যেই জমা দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

গত রবিবার রাত ১০টার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়া ও মহেশখালীর সংযোগস্থল বদরখালী ব্রিজসংলগ্ন প্যারাবনে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই কিশোরী। সে চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে মহেশখালীর নিজ বাড়িতে ফিরছিল।