ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি পেসার জেমস অ্যান্ডারসন থামতে নারাজ। ৪৩ বছর বয়সে পা দিতে চলা এই ক্রিকেটার ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে খেলার পরিকল্পনা করছেন আসন্ন মৌসুমে। প্রায় এক বছর পর আবারও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার পথে আছেন ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে নিজের বিদায়ী টেস্ট খেলার পর থেকে মাঠের বাইরে আছেন অ্যান্ডারসন। তবে খেলা ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি তিনি। ইংল্যান্ড টেস্ট দলের বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি নেটে নিয়মিত বল করেছেন এবং ফিটনেস ধরে রেখেছেন। এবারের মৌসুমে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে সব ফরম্যাটে খেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন তিনি।
আগামী ৪ এপ্রিল লর্ডসে মিডলসেক্সের বিপক্ষে ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রথম ম্যাচ দিয়ে আবারও মাঠে নামার সুযোগ পাবেন অ্যান্ডারসন। ১১ এপ্রিল নর্থাম্পটনের বিপক্ষে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দলটির প্রথম হোম ম্যাচেও থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
২০০২ সালে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে পথচলা শুরু করেছিলেন অ্যান্ডারসন। এবার ক্লাবটির দ্বিতীয় বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে ফেরার চ্যালেঞ্জে নেতৃত্ব দিতে চান। যদিও ২০ বছর পর প্রথমবারের মতো ল্যাঙ্কাশায়ারকে তার বেতন দিতে হবে, কারণ তিনি এখন আর ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নেই।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৭০৪টি উইকেট শিকার করা অ্যান্ডারসনের কথা ক্রিকেট ভক্তরা কখনোই ভুলবেন না। বিদায়ী টেস্টেও উইকেট শিকার করে লর্ডসে নিজেকে স্মরণীয় করে রেখেছেন। তবে তার মতে, তিনি এখনও খেলা চালিয়ে যাওয়ার মতো ফিট। এমনকি সাদা বলের ক্রিকেটেও ফেরার ইচ্ছা রয়েছে তার।
ল্যাঙ্কাশায়ার কোচ ও কর্মকর্তারা মনে করছেন, অ্যান্ডারসনের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড় শুধু দলের পারফরম্যান্সেই নয়, তরুণ ক্রিকেটারদের অনুপ্রাণিত করতেও বড় ভূমিকা রাখবেন। এখন দেখার বিষয়, ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই পেসার আরও কতদিন তার ক্যারিয়ারের গল্প লিখে যেতে পারেন।