জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর ও অস্থায়ী আবাসনসহ ৩ দাবিতে গণ অনশনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে অনশনে বসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.রেজাউল করিম।
রবিবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭ টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে একাত্মতাতা পোষণ করে অনশনে বসেন তিনি। এ সময় শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড.সাবিনা শরমীন, প্রক্টর অধ্যাপক ড.তাজামুল হক, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড.রইছ উদ্দীন, অধ্যাপক ড.বেলাল হোসেন অনশনে বসেন।
তিনি বলেন, ‘তোমাদের দাবিগুলো নিয়ে কাজ করছি। প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, চিঠির কপিও এসেছে। আমরা শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একমত। যৌক্তিক সময় দিয়ে কাজ সম্পন্ন করবো।’
তবে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে সুনির্দিষ্ট সময়সীমার দাবি জানান।
অনশনরত শিক্ষার্থী মুরাদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সময় নির্ধারণ করে দিতে পারছে না। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এসে যৌক্তিক সময় দিলে আমরা অনশন ভাঙবো।
জবি শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহান প্রামাণিক বলেন, ‘আমরা আর লাল ফিতার দৌরাত্ম মানবো না। এখানেই বসে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ৩ দাবিতে অনশন শুরু করে শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবি গুলোহলো— সেনাবাহিনীর কাছে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ হস্তান্তরের চুক্তি অনতিবিলম্বে স্বাক্ষর করতে হবে; পুরান ঢাকার বাণী ভবন ও ড. হাবিবুর রহমান হলের স্টিল বেইজড ভবনের কাজ দ্রুত শুরু এবং শেষ করতে হবে; যতদিন পর্যন্ত আবাসন ব্যবস্থা না হয় ততদিন পর্যন্ত ৭০% শিক্ষার্থীর আবাসন ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।