প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্লট বরাদ্দের নথি গায়েব

শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের ছয় সদস্যের নামে ২০২২ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা করে ছয়টি প্লট অর্থাৎ ৬০ কাঠা জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব প্লট বরাদ্দ দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন গণপূর্ত সচিবকে চিঠি দিয়েছেন। এরপরই একে একে প্লটগুলো বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু পটপরিবর্তনের পর ওই চিঠি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কে বা কারা গায়েব করে দিয়েছে। এসব প্লট বরাদ্দের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের কর্মকর্তারা জড়িত বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

এদিকে, দুদকের অনুসন্ধান শেষ হওয়ায় শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা, ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিক ও মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকের নামে চারটি মামলা হয়েছে। মামলায় প্লট গ্রহীতা, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের কর্মকর্তারা আসামি হলেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কাউকে আসামি করা হয়নি। একই অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় আজ-কালের মধ্যে শেখ হাসিনা ও সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়ের নামে আরও দুটি পৃথক মামলা হবে। প্রতিটি মামলায় ১৫ থেকে ১৬ জনকে আসামি করা হচ্ছে। আর ছয়টি মামলায় আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা।

দুদকের তথ্যমতে, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে প্লট বরাদ্দের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এসেছিল। কিন্তু এসব মামলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কেউ আসামির তালিকায় নেই। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ-সংক্রান্ত নথি পাওয়া যায়নি। এসব ফাইল গায়েব করা হয়েছে, না-কি আন্দোলনকারীরা নষ্ট করেছেন, তা নিশ্চিত নয় দুদকের কর্মকর্তারা। তারা তদন্ত পর্যায়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের মুখপাত্র মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্লট বরাদ্দের মামলায় এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কাউকে আসামি করা হয়নি। কারা এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের চিহ্নিত করা যায়নি। মামলার তদন্ত পর্যায়ে প্লট বরাদ্দের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ আরও কারা জড়িত ছিলেন, তাদের খুঁজে বের করা হবে। 

তবে দুদকের একজন শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেছেন, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে যে প্রক্রিয়ায় প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তার প্রতিটি পদে অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী তারা প্লট পান না, তারপরও প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বর্পূূণ কূটনৈতিক জোনে প্লটগুলো বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব প্লট বরাদ্দের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এসেছিল। ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। বলা হয়েছে, ওই সময় সেখানকার ফাইলপত্র নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। এ কারণে প্লট বরাদ্দের সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারেনি দুদক। তবে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১-এর দপ্তর থেকে প্লট বরাদ্দের জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে যে চিঠি পাঠানো হয়েছে, তা পাওয়া গেছে। এসব নথি আসলে নষ্ট হয়েছে, না-কি গায়েব করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে।

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, রাজউকের বিধিবিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির নিজ নামে বা তার স্ত্রী/স্বামীর নামে, তার ওপর নির্ভরশীল সন্তানের নামে বা অন্য কোনো নির্ভরশীল ব্যক্তির নামে রাজউক, সরকারি হাউজিং এস্টেট অথবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে খাসজমি বরাদ্দ করা হয়ে থাকলে অথবা রাজউকের আওতাধীন এলাকায় কোনো ব্যক্তির নামে ঘরবাড়ি থাকলে তার নামে প্লট বরাদ্দ দেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে প্লট গ্রহীতাদের প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা একটি হলফনামা দাখিল করতে হয়। অভিযুক্ত শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে রাজউকের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ধানম-ি ৫ নম্বর রোডে ৫৪ নম্বর প্লটে সুধা সদন নামে একটি বাড়ি রয়েছে। এ ছাড়া তার গুলশানে অকৃষিজমি রয়েছে। রাজউকের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বাড়ি থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের তথ্যমতে, রাজউকের পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে সর্বপ্রথম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর যথাক্রমে তার ভাগ্নে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা ও আজমিনা সিদ্দিকের নামে ১০ কাঠা করে আরও পাঁচটি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্লট বরাদ্দের রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে প্লট বরাদ্দের জন্য রাজউকে চিঠি পাঠানোর পর কোনো কোনো প্লট মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জরুরি বোর্ডসভা ডেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনার নামে প্লট বরাদ্দ : ২০২২ সালের জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে শেখ হাসিনার নামে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (অ্যালটমেন্ট অব ল্যান্ডস) রুলস ১৯৬৯-এর ১৩/১(এ) ধারায় পূর্বাচল প্রকল্পে একটি প্লট বরাদ্দ দেওয়ার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন চিঠি দেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবকে। ওই চিঠি পাওয়ার কয়েক দিন পর ১৯ জুলাই গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে শেখ হাসিনার নামে প্লট বরাদ্দ দিতে রাজউক চেয়ারম্যানকে চিঠি দেওয়া হয়। চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহ পর ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত রাজউকের ৭/২২তম বোর্ডসভায় শেখ হাসিনার নামে পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম : ২০২২ সালের ১৪ আগস্ট রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের নামে রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে একটি প্লট বরাদ্দ দেওয়ার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন চিঠি দেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সচিবকে। ওই চিঠি পাওয়ার পর ১৭ আগস্ট গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে রাদওয়ানকে প্লট দিতে রাজউক চেয়ারম্যানকে চিঠি দেওয়া হয়। ২১ আগস্ট অনুষ্ঠিত রাজউকের ৮/২২তম বোর্ডসভায় তার নামে পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সজীব আহমেদ ওয়াজেদের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম : সজীব আহমেদ ওয়াজেদকে প্লট দিতে চিঠি দেওয়ার দুদিনের মধ্যে তার নামে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। তথ্য বলছেÑ সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে সজীব আহমেদ ওয়াজেদকে একটি প্লট বরাদ্দ দিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি দেন। এরপর ২০২২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে সজীব আহমেদ ওয়াজেদকে প্লট দিতে রাজউক চেয়ারম্যানকে চিঠি দেওয়া হয়। চিঠি দেওয়ার দুদিন পর জরুরি বোর্ডসভা ডেকে ৭ সেপ্টেম্বর (রাজউকের ৯/২২তম) তার নামে পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ প্লট বরাদ্দের ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হবে।

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম : ২০২২ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে প্লট রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে একটি প্লট বরাদ্দ দেওয়ার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি দেন। ওই চিঠি পাওয়ার পর ১৪ সেপ্টেম্বর গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে পুতুলকে প্লট দিতে রাজউক চেয়ারম্যানকে চিঠি দেওয়া হয়। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত রাজউকের ১০/২২তম বোর্ডসভায় তার নামে ১০ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শেখ রেহানার প্লট বরাদ্দে অনিয়ম : ২০২২ সালের ৬ অক্টোবর শেখ রেহানার নামে রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে একটি প্লট বরাদ্দ দেওয়ার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন চিঠি দেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবকে। ওই চিঠি পাওয়ার পর ১০ অক্টোবর গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে সজীব ওয়াজেদকে প্লট দিতে রাজউক চেয়ারম্যানকে চিঠি দেওয়া হয়। এরপর জরুরি বোর্ডসভা ডেকে ১১ অক্টোবর (রাজউকের ১১/২২তম) তার নামে পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আজমিনা সিদ্দিকের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম : ২০২২ সালের ৮ নভেম্বর আজমিনা সিদ্দিকের নামে পূর্বাচল প্রকল্পে একটি প্লট বরাদ্দ দেওয়ার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন চিঠি দেন গণপূর্ত সচিবকে। ওই চিঠি পাওয়ার পর ১৩ নভেম্বর গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে আজমিনা সিদ্দিকেকে প্লট দিতে রাজউক চেয়ারম্যানকে চিঠি দেওয়া হয়। চিঠি পাওয়ার পর জরুরি বোর্ডসভা ডেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে (১৪ নভেম্বর রাজউকের ১৩/২২তম) তার নামে পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুদকের তথ্যমতে, এসব প্লট বরাদ্দের সঙ্গে যোগসূত্র থাকায় প্রতিটি প্লট গ্রহীতার সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসামি হচ্ছেন। এ ছাড়া রাজউকের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, বোর্ডসভার সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন ও সদস্য (উন্নয়ন) মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব শহীদ উল্লাহ খন্দকার, সাবেক কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. অলিউল্লাহ, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পের পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, একজন উপপরিচালক ও একজন সহকারী পরিচালকসহ ১৩ থেকে ১৪ জন আসামির তালিকায় আছেন।

শেখ রেহানা ও তার ছেলেমেয়ের বিরুদ্ধে ৩ মামলা : এদিকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে তিনটি প্লট নেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, বোনের ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক ও টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সোমবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা করা হয়। দুদক মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, পূর্বাচল নতুন শহরে প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রভাবিত করেন। এ বিষয়ে দুদকের কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। এ কারণে টিউলিপকে আসামি করা হয়েছে।

দুদকের তথ্যমতে, শেখ রেহানার মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক মো. মো. সালাহ উদ্দিন। এ মামলায় শেখ রেহানার সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়। রাদওয়ান সিদ্দিকের মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক এসএম রাশেদুল হাসান। এই মামলায় রাদওয়ান সিদ্দিকের সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ ১৬ জন আসামি। আজমিনা সিদ্দিকের মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। এ মামলায় আজমিনা সিদ্দিকের সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ ১৬ জন আসামি।