শুরু থেকেই নানা সমস্যার মুখে পড়ে কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’। বহু কাঠখড় পুড়িয়ে অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। ছবিটি মুক্তি পেলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন তিনি।
গেল বছরে মুক্তির কথা থাকলেও সেন্সর বোর্ডের আপত্তির কারণে ছবির মুক্তি স্থগিত হয়ে যায়। এ ছাড়া প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগে কিছু সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত করা নিয়ে ছবিটিকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। তবে এত বাধা পেরিয়ে অবশেষে ১৭ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। কিন্তু বিতর্ক এখনো অব্যাহত। এবার কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ বাংলাদেশেও নিষিদ্ধ করা হলো। ইন্দিরা গান্ধীর সময় ১৯৭৫ সালে ভারতে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল, যা রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল ভারতকে। এ ছবিটিতে ভারতের রাজনীতি ও সমাজনীতির একটা অন্ধকার দিক ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া ছবিতে দেখানো হয়েছে ইন্দিরা গান্ধী কীভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে মুক্তি যুদ্ধতে সাহায্য করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তাল বাংলাদেশ। এখনো যে অবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে তা বলা যায় না। তা ছাড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনাও দেখা দিয়েছিল। তাই সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ছবিটির মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না।
তবে অনেকের মতে, এর ফলে ছবির বেশ কিছুটা ক্ষতি হবে। কারণ বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার, কিন্তু সেখানেই প্রবেশ করতে পারছে না এ ছবিটি। ফলে ছবির আয়ের ওপর যে এর বড় প্রভাব পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।
একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে ‘ইমার্জেন্সি’ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গেও জড়িত। তাই ছবিটি নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি কর হয়েছে। অনেকের মতে, ‘ইমার্জেন্সি’র অনেক বিষয়বস্তু দুই দেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক সমস্যার নানা দিককে প্রভাবিত করবে।
‘ইমার্জেন্সি’তে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা। সিনেমাটি পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।