সাজার রায়ের পরই মুক্তি পেলেন ডেসটিনির রফিকুল

অর্থ পাচার মামলায় বিতর্কিত বহুস্তর বিপণন (এমএলএম) কোম্পানি ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন, কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদসহ ১৯ জনকে ১২ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া তাদের ৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। অবশ্য আদালত রায় ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৪ সালের ৪ মে দুই মামলায় ৫১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। অভিযোগ গঠন করা হয় ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট। তাদের বিরুদ্ধে ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন (ডিটিপিএল) প্রকল্প এবং ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের (ডিএমসিএসএল) মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। একই আদালত ২০২২ সালের ১২ মে রফিকুল আমীন ও হারুনসহ ৪৬ আসামিকে অন্য একটি অর্থ পাচার মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়।

রফিকুল আমীন গত ১২ বছর ধরে কারাগারে আছেন। গতকাল রায়ে আদালত জানায়, কারাগারে থাকার বয়স সাজা থেকে বাদ যাবে। সে ক্ষেত্রে এমডি রফিকুল আমীনের সাজা হয়ে গেছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী এহসানুল মাহবুব সমাজী জানান, ১৯ আসামির মধ্যে কারাগারে থাকা রফিকুল আমীন, তার স্ত্রী ফারহা দিবা ও মোহাম্মদ হোসেনকে এদিন আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা হারুন-অর-রশিদও আদালতে ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক বাকি ১৫ আসামির বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন বিচারক।