কোপা দেল রের শেষ ষোলোর ম্যাচে ৮২ মিনিট পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদ এগিয়ে গিয়েছিল দুই গোলে। তবে ৯ মিনিটের মধ্যে দুই গোল হজম করে তারা। তাতে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেই ৩০ মিনিটের মধ্যে এনদ্রিক করলেন জোড়া গোল। শেষ পর্যন্ত রিয়াল ৫-২ গোলে সেল্তা ভিগোকে হারিয়ে উঠেছে কোয়ার্টার ফাইনালে।
সুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনার বিপক্ষে ৫-২ গোলে হেরেছিল রিয়াল। সেই ম্যাচের পর প্রথমবার মাঠে নেমে একই ব্যবধানে জিতল লস ব্লাঙ্কোসরা। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে ভাঙে ডেডলক। প্রতি-আক্রমণে মাঝমাঠে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন এমবাপ্পে, সঙ্গে লেগে থাকা এক খেলোয়াড়কে এড়িয়ে করেন গোল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান বাড়ায় স্বাগতিকরা। দিয়াজের পাস থেকে গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ৬৯ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে সেল্তার সোতেলোর শট কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন রিয়াল গোলকিপার আন্দ্রে লুনিন। ৭৭ মিনিটে বল জালে পাঠান আর্দা গুলের, তবে তাকে বল দেওয়া ভিনি অফসাইডে থাকায় মেলেনি গোল। ৮৩ মিনিটে কামাভিঙ্গার ভুল পাসে বল পেয়ে জনাথন বাম্বাকে খুঁজে নেন পাবলো দুরান। বাম্বা গোল করে সেল্তাকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ করে দেন। ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান আলোনসো। ডি-বক্সে বাম্বাকে রিয়ালের রাউল আসেন্সিও ফাউল করায় পেনাল্টি পেয়েছিল সেল্তা ভিগো।
১০৮ মিনিটে বুলেট গতির শটে রিয়ালকে এগিয়ে নেন এনদ্রিক। চার মিনিট পর ডি-বক্সের বাইরে থেকে গোল করে ব্যবধান আরও বাড়ান ফেদে ভালভার্দে। ১১৯ মিনিটে ব্যবধানে আরও বাড়ান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এনদ্রিক। কর্নারের পর গুলেরের ক্রসে খুব কাছ থেকে ব্যাকহিলে জাল খুঁজে নেন এই তরুণ।
ম্যাচের পর এনদ্রিক বলেন, ‘আমি প্রতিদিনই কঠোর পরিশ্রম করি। আমার গোল দুটি রুডিগারের জন্য। আজ (বৃহস্পতিবার) দুটি সুযোগ পেয়ে দুটিই গোল করেছি।’ সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রিয়ালের হয়ে এটি তার চতুর্থ গোল। গেল বছরের সেপ্টেম্বরের পর রিয়ালের জার্সিতে গোল পেলেন এনদ্রিক।