অধিনায়ক বদল করেও হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারল না দুর্বার রাজশাহী। চিটাগং কিংসের বিপক্ষে ১১১ রানের বিশাল ব্যবধানে হারলো তাসকিন আহমেদের দল। ব্যাটিং ব্যর্থতায় মুখ থুবড়ে পড়েছে রাজশাহী।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে চিটাগংকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে শুরুতে ভালো করেছিল রাজশাহী। কিন্তু বাজে বোলিং ও ব্যাটিং বিপর্যয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে তারা।
ম্যাচ শুরুর মাত্র দুই ঘণ্টা আগে জানানো হয়, অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন এনামুল হক বিজয়। ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তার ব্যাটে দেখা যায়নি প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স। দলের নতুন অধিনায়ক তাসকিন আহমেদ নিজে ভালো করলেও সঙ্গীরা হতাশ করেছেন।
টস জিতে চিটাগংকে ব্যাটিংয়ে পাঠান তাসকিন। শুরুতে উসমান খানের দ্রুত বিদায়ে চাপে পড়েছিল চিটাগং। তবে নাঈম ইসলাম ও গ্রাহাম ক্লার্কের জুটি সেই চাপ সামলে নেয়।
৪৫ রানের দারুণ ইনিংস খেলে রানআউট হন গ্রাহাম ক্লার্ক। তবে অন্যপ্রান্তে হাল ধরে রাখেন নাঈম ইসলাম। তার ৫৬ রানের ইনিংসের সঙ্গে শেষ দিকে মোহাম্মদ মিঠুনের ৩২ ও হায়দার আলীর ২৫ রানের ঝড়ো ইনিংসে চিটাগং পৌঁছায় ১৯১ রানের বড় পুঁজি।
রাজশাহীর হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন অধিনায়ক তাসকিন আহমেদ। ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন তিনি। তবে মিগুয়েল কামিন্স ও মোহর শেখের বাজে বোলিং চিটাগংকে বড় স্কোর গড়ার সুযোগ করে দেয়।
১৯২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই ব্যাকফুটে রাজশাহী। ওপেনার মোহাম্মদ হারিস দুবার জীবন পেয়েও সুবিধা করতে পারেননি, ফিরেছেন ৯ রানে। জিসান আলম (৪) ও ইয়াসির আলী রাব্বি (৫) হতাশ করেছেন।
পাওয়ার প্লে শেষ হতে না হতেই ৫৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় রাজশাহী। বিজয় চেষ্টা করলেও তার ইনিংস থামে ২১ রানে।
রাজশাহীর পুরো ইনিংস থামে মাত্র ৮০ রানে। চিটাগংয়ের হয়ে শরিফুল ইসলাম ও নাঈম ইসলাম ২টি করে উইকেট নেন।
এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে চিটাগং কিংস। মিঠুনের দল তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশালকে পেছনে ফেলেছে। অন্যদিকে রাজশাহীর এই বড় হার তাদের টুর্নামেন্টের আশা আরও দুর্বল করে তুলেছে।