ফ্যাশনে ফিরে আসা নস্টালজিয়া

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নস্টালজিয়া বা অতীতের প্রতি আকর্ষণ সংস্কৃতিতে বড় প্রভাব ফেলেছে। এটি বিনোদন ব্র্যান্ডিং এবং প্রযুক্তিসহ বিশেষ করে ফ্যাশনে গভীর প্রভাব রাখছে। এ বিষয়ে লিখেছেন অনিন্দ্য নাহার হাবীব

নস্টালজিয়া আসে ফিরে

রঙচটা জিন্সের প্যান্ট পরা, লাল শার্ট গায়ে তার বুক খোলা, সানগ্লাস কপালে আছে তোলা মিল্টন খন্দকারের লেখা ও শিল্পী ডলি সায়ন্তনীর গলায় গাওয়া এই গান এখনো জনপ্রিয় এবং অনেককেই মনে করিয়ে দেয় ৯০ দশকের কথা। ঢাকার রাস্তায় তখন হলুদ বেবিট্যাক্সি দাপিয়ে বেড়ায়। আজকের মতো যানজটের বালাই ছিল না তখন। উজ্জ্বল রঙের শার্ট আর গাঢ় নীল জিন্স প্যান্ট পরে, চোখে সানগ্লাস দিয়ে আর পায়ে স্নিকার্স পরে হেঁটে বেড়াত যুবকরা। উত্থান-পতন চলচ্চিত্রের এই ফ্যাশন আজও দেখা যায় আমাদের আশপাশে। পার্থক্য এই যে, এখন ঢাকা শহর আরও জনবহুল। মানুষের ফ্যাশন বিচিত্র। ৯০-এর দশকে সবার পোশাক এবং ফ্যাশনের যে একটা মিল ছিল সেটা যদিও এখন পাওয়া দুষ্কর। কালের পরিক্রমায় এখন মানুষের পোশাক, সংগীত, নন্দন, ফ্যাশন মোটকথা জীবনযাত্রায় এসেছে বিপুল এক পরিবর্তন। মানুষ বারবারই পুরনো সংস্কৃতি এবং ফ্যাশনের কাছে ফিরে যায়। তাকে নিজের মতো করে সাজিয়ে পরিধান করে। মানুষের বারবার পুরনো সেই দিনের কাছে ফিরে যাওয়ার এই বিষয়টি শিল্প-সংস্কৃতি থেকে ফ্যাশনের দুনিয়ায় বারবার ঘটেছে।

নস্টালজিয়া শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে, যেখানে ‘নস্টোস’ অর্থ ‘ঘরে ফেরা’ এবং ‘আলগোস’ অর্থ ‘কষ্ট’। শব্দটি একসময় অতীতের জন্য গভীর আকাক্সক্ষা অর্থে ব্যবহৃত হতো। তবে এখন আমরা একে আরও জটিল বহুমাত্রিকভাবে ব্যবহার করি। আমরা পুরনোতে এক ধরনের আরাম এবং অস্বস্তি খুঁজে পাই। তাই বারবার মানুষ অতীতে ফেরত যায়। নিয়ে আসে অতীতের ফ্যাশন। গায়ে পরে পুরনা স্টাইলের জামা নতুন করে, নিজের মতো করে। বর্তমান যুগে, যেখানে দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, বিশ্বব্যাপী সংকট এবং রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে, সেখানে নস্টালজিয়া একটি সাংস্কৃতিক প্রতীক হয়ে উঠেছে। অতীতের পুনরালোচনা বর্তমানের চ্যালেঞ্জ থেকে আশ্রয় দেয় এবং মানুষকে নিরাপদ, সহজ বা আনন্দময় মুহূর্তগুলোর স্মৃতিতে নিয়ে যায়।

বিভিন্ন দশকের ফ্যাশন ও প্রত্যাবর্তন

১৯২০-এর দশক : রোরিং টুয়েন্টিজ (ফ্ল্যাপার ফ্যাশন) ১৯২০-এর দশকে মহিলারা শর্ট স্কার্ট, ঢিলেঢালা পোশাক স্বাধীনতার প্রতীক এবং সহজে পরিধেয় পোশাক হিসেবে গ্রহণ করেছিল। ফ্ল্যাপার ড্রেস, উঁচু করে বাঁধা চুল এবং জ্যাজ সংগীতের প্রভাব ছিল অতি জনপ্রিয়। ১৯৬০-এর দশকে ১৯২০-এর ফ্যাশনের প্রতি আগ্রহ পুনরায় উঠে আসে, যেখানে ফ্ল্যাপার স্টাইলের ড্রেস এবং ডেকোরেটিভ হেডব্যান্ড পুনরায় জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯৯০-এর দশকেও এই ফ্যাশন পুনরায় ফিরে আসে।

১৯৫০-এর দশক : ভিনটেজ গ্ল্যামার (ক্লাসিক ড্রেস এবং পিন-আপ স্টাইল) ১৯৫০-এর দশকে ফিটেড ড্রেস, সিঞ্চড ওয়েস্ট, ফুল স্কার্ট এবং  হিল শু ফ্যাশনে আসার ক্ষেত্রে মেরিলিন মনরো এবং অড্রে হেপবার্নের মতো আইকনিক ব্যক্তির প্রভাব ছিল ডিছল তাদের ওপর। ১৯৮০-এর দশকে এই ফ্যাশন আবার ফেরত আসে এবং সেই সময় সেলিব্রিটিরাও এমন পোশাক পরে থাকতেন। ২০০০ সালের শুরুতেই ভিনটেজ রেট্রো ফ্যাশনের একটা চল শুরু হয়।

 ১৯৬০-এর দশক : মোড এবং হিপি ফ্যাশন (বোল্ড প্যাটার্ন এবং বোহো স্টাইল) ১৯৬০-এর দশক ছিল জ্যামিতিক প্যাটার্ন, ছোট এ-লাইন ড্রেস এবং গো-গো বুটের জনপ্রিয়তা। পাশাপাশি, হিপি মুভমেন্টের কারণে লম্বা স্কার্ট, এথনিক প্রিন্ট এবং শান্তির প্রতীকও ছিল। ১৯৯০-এর দশকের গ্রাঞ্জ কালচারে ৬০-এর দশকের মোড ফ্যাশনের প্রভাব পড়েছিল। একইভাবে, বোহো ট্রেন্ডটি ২০০০ সালে ফেরত আসে। আধুনিক ফ্যাশনে এখনো ৬০-এর দশকের রেট্রোগ্রাফিক প্রিন্ট, মিনি ড্রেস এবং বোল্ড কালার দেখা যায়।

১৯৭০-এর দশক : ডিস্কো এবং পাংক (উজ্জ্বল রঙ, বেলবটম পোশাক) ১৯৭০-এর দশকের বোহেমিয়ান শৈলী বারবার ফিরে এসেছে ফ্যাশনে। ফ্লোয়িং ম্যাক্সি ড্রেস, বেলবটম এবং স্যুয়েড ফ্রিঞ্জের মতো পোশাক এই যুগের স্বাধীনচেতা মনোভাবকে ধারণ করে। যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা বা সামাজিক পরিবর্তনের সময় আসে, মানুষ প্রায়ই এই ফ্যাশনটিকে প্রতিরোধ এবং ব্যক্তিত্ব প্রকাশের জন্য গ্রহণ করে।

১৯৭০-এর দশক ডিস্কো এবং পাংক স্টাইলের উত্থান ঘটে, যেখানে উজ্জ্বল রঙ, ফ্লেয়ার প্যান্ট এবং বেলবটম প্যান্ট জনপ্রিয় ছিল। পাংক ফ্যাশন চামড়ার জ্যাকেট, স্টাডেড এক্সেসরিজ এবং হাতে বানানো পোশাক দিয়ে গঠিত। ১৯৯০-এর দশকে ডিস্কো-গ্ল্যাম ফিরে আসে, বিশেষ করে নাইট ক্লাব কালচারের প্রভাবসহ। পাংক স্টাইলও ২০০০ সালের কাছাকাছি ফিরে আসে আধুনিক টুইস্ট নিয়ে। ৭০-এর দশকের ফ্লেয়ার ট্রাউজার্স, রঙ ব্লকিং এবং বিশাল আউটারওয়্যার এখন আধুনিক ফ্যাশনেও প্রতিফলিত হয়। পাংক স্টাইল এখনো মানুষের প্রিয়।

১৯৮০-এর দশক : বোল্ড এবং পাওয়ার ড্রেসিং

 ১৯৮০-এর দশকটি ছিল পাওয়ার ড্রেসিংয়ের যুগ, যেখানে সোল্ডার প্যাড, বড় চুল, নিয়ন রঙ, চামড়ার জ্যাকেট এবং অত্যধিক এক্সেসরিজ জনপ্রিয় ছিল।

২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে বিশেষ করে সিনেমা এবং পপ কালচারের প্রভাবের মধ্যে যেমন দ্য ডেভিলওয়ার্স প্রাডা সিনেমার মাধ্যমে পাওয়ার ড্রেসিং আবার ফ্যাশনের সামনের সারিতে এসেছিল। আজকালও ফ্যাশন ডিজাইনাররা হাই প্রোফাইল এবং ফিট শেপে বড় সোল্ডার ব্লেজার এবং আন্ডারওয়্যারে আধিকারিক এক্সেসরিজ ব্যবহার করছেন, ৮০-এর দশকের নিয়ন, মেটালিক রঙ, ফিউচারিস্টিক রূপে বর্তমান ফ্যাশনে চলছে।

১৯৯০-এর দশক : গ্রাঞ্জ এবং মিনিমালিজম

১৯৯০-এর দশকে, ফ্যাশন ছিল দুটি বিপরীতধর্মী বিষয়ের সংমিশ্রণ গ্রাঞ্জ এবং মিনিমালিজম। জাপানি পোশাক, স্কার্ট, ডক মারটেন্স শু এবং সিøপ ড্রেস ছিল জনপ্রিয়। এই ফ্যাশন ছিল সহজ-সরল পোশাকের। ২০০০-এর দশকে ফ্যাশনে সিøপ ড্রেস এবং ছোট জিন্স আবার জনপ্রিয় হয় এবং পপ সংস্কৃতির কিছু আইকন এই ফ্যাশনটি জনপ্রিয় করে তোলে। ৯০-এর দশকের ওভারসাইজড জ্যাকেট, কার্গো প্যান্ট, সিøপ ড্রেস আজও স্ট্রিট ফ্যাশনে প্রচলিত। এমনকি এগুলো এলিট পোশাকগুলোরও অংশ।

২০০০-এর দশক : ণ২ক ফ্যাশন (স্ট্রিট স্টাইল এবং লোগো ম্যানিয়া)

ণ২ক, ইয়ার টু থাউজেন্ড-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, ফ্যাশন ছিল লো-রাইজ জিন্স, ছোট হ্যান্ডব্যাগ, বড় লোগো ছাপানো পোশাক এবং রাইনস্টোন এক্সেসরিজের প্রিয় যুগ। ২০০০-এর দশকের শুরুতে পপ আইকনরা, যেমন পারিস হিলটন এবং ব্রিটনি স্পিয়ারস এটিকে জনপ্রিয় করেন ২০১০-এর দশক থেকে ণ২ক স্টাইলের পুনরাবৃত্তি শুরু হয়েছে। এখনকার যুগে ইউটিউব এবং ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে ণ২ক ফ্যাশন আবার আলোচনায় এসেছে।

এখনকার ফ্যাশনের ধরন

ইউনিসেক্স পোশাক : ইউনিসেক্স পোশাক ব্যবহারের প্রবণতা কয়েক বছর ধরে বাড়ছে। যেমন টি-শার্ট ছেলেদের পোশাক হিসেবে পরিচিত হলেও এটি এখন মেয়েরাও ব্যবহার করে। তাই ফ্যাশন হাউজগুলো এমনভাবে টি-শার্ট ডিজাইন করছে, যাতে ছেলেমেয়ে উভয়েই সেগুলো পরতে পারে। রঙের ক্ষেত্রেও এখন ছেলেমেয়ে তেমন ব্যবধান করা হয় না। সবাই সব রঙের পোশাক পরে।

ওভারসাইজড ফ্যাশন : জেনজিদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ওভারসাইজড ফ্যাশন। ১৯৮০-৯০ এর দশকে এ ধরনের পোশাকের চল ছিল। সেই ফ্যাশন যেন আবারও ফিরে এসেছে। বড়মাপের শার্ট, টি-শার্ট, হুডি বা প্যান্টের মতো পোশাকগুলো একদিকে যেমন আরামদায়ক, অন্যদিকে স্টাইলিশও বটে।

ব্যাগি প্যান্ট : ১৯৮০-এর দশকে ব্যাগি প্যান্ট প্রথমে হিপহপ কালচার ও র‌্যাপ মিউজিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আমেরিকান তরুণরা অনেক সময় এসব ঢিলেঢালা প্যান্ট পরত। এগুলো তাদের চলাচলে আরাম ও ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করত। ৯০এর দশকে এই প্যান্ট সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ২০০০ সাল থেকে এই প্যান্টের কদর কমতে থাকে। প্রায় দুই যুগ পর ব্যাগি প্যান্ট আবার ফ্যাশনে ফিরে এসেছে।

ডেনিম ট্রেন্ড : ডেনিম এখনকার ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে বেশ আগ্রহের বিষয়। বিশেষ করে ডেনিম জ্যাকেট, ডেনিম প্যান্ট ও শার্ট। কিন্তু এখন পায়ের সঙ্গে লেগে থাকা স্কিনি জিনস তেমন কাউকে পরতে দেখা যায় না; বরং এখন ওভারসাইজড প্যান্টের ট্রেন্ড চলছে, যা ব্যাগি জিনস হিসেবে পরিচিত।

ফিউশন ও মিনিমাল পোশাক : ফিউশনধর্মী পোশাক তরুণদের বেশ পছন্দের। তরুণরা ক্রমেই মিনিমাল এবং ক্লিন লুক বেছে নিচ্ছেন। প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের মিশ্রণে ফিউশন পোশাকের অনেক চাহিদা এখন দেশে। এর সঙ্গে মিনিমাল ফ্যাশনের ট্রেন্ড যুক্ত হয়েছে। এক এবং হালকা রঙের জামা পরিহিত হচ্ছে এ ধরনের ট্রেন্ডে।

স্নিকার্স : বেশ কয়েক বছর ধরেই কেডস থেকে স্নিকারের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। ওভারসাইজড পোশাক বা ঢিলেঢালা প্যান্টের সঙ্গে কেডসের থেকে স্নিকার সুন্দর মানিয়ে যায়। ১৯১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কনভার্স কোম্পানি প্রথম স্নিকার তৈরি করেছিল, যার নাম ‘নন-স্কিড’। ১৯৫০-৬০ এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বাস্কেটবল দলগুলো স্নিকার্স জনপ্রিয় করে তোলে। এরপর ফ্যাশন দুনিয়াতেও তার ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়।

ফ্লোরাল প্রিন্টস : ১৮০০ শতকের মাঝামাঝি সময়ে জনপ্রিয় হতে শুরু করে ফ্লোরাল প্রিন্টের পোশাক। বিশেষ করে ইউরোপীয় রেনেসাঁ এবং ভিক্টোরিয়ান যুগে যখন ফুলের প্যাটার্নের ডিজাইনসমৃদ্ধ পোশাক তৈরি করা হতো। তবে ১৯৬০ ও ১৯৭০এর দশকে পপ কালচার এবং হিপি মুভমেন্টের সঙ্গে ফ্লোরাল প্রিন্ট আবারও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এটি আবার ফিরে এসেছে বর্তমান ফ্যাশনে। বিভিন্ন ধরনের ফ্লোরাল প্রিন্ট যেমন ছোট, বড় ও অ্যাবস্ট্র্যাক্ট ফ্লোরাল প্রিন্টের ব্যবহার বেশ বেড়েছে বলতে হবে।

ক্রপ টপস : ক্রপ টপস ফ্যাশন ১৯৬০এর দশকে হিপি আন্দোলন ও পপ কালচারের মাধ্যমে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছিল। ১৯৮০-৯০ এর দশকে এটি আরও বিস্তার লাভ করে। ২০০০ সালের দিকে এটি গ্রীষ্মকালীন পোশাক হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। পরবর্তী সময়ে তা স্ট্রিট ফ্যাশন, ক্যাজুয়াল স্টাইল ও অফিসওয়্যার হিসেবেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। স্বাধীনতা, আত্মবিশ্বাস ও স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয় এসব পোশাক। নস্টালজিয়া সব সময় মানব সংস্কৃতির অংশ ছিল। তবে, এটি আজকের বিশ্বে যে কারণে আরও জনপ্রিয় তার কারণ সমাজতাত্ত্বিক এবং মনস্তাত্ত্বিক। আধুনিক গণমাধ্যমের খণ্ডিত প্রকৃতি এবং নতুন বিষয়বস্তুর অবিরাম প্রবাহ মানুষকে বিভ্রান্ত করে তোলে। এর বিপরীতে, নস্টালজিয়া একটি পরিকল্পিত, আদর্শায়িত অতীতের একটি নতুন রূপ এনে দেয় যা আরামদায়ক এবং মানুষের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতার অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়। অন্য একটি কারণ হলো নস্টালজিয়ার মাধ্যমে ‘শেয়ারড এক্সপেরিয়েন্স’ বা যৌথ অভিজ্ঞতা হয়। যেমন টিভি শো দেখা বা স্কুল নাচ, এই ধরনের স্মৃতি সময়ের সঙ্গে মানুষের মধ্যে এক ধরনের বন্ধন তৈরি করে। ডিজিটাল যুগে এই ধরনের মিলিত অভিজ্ঞতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।