সুদর্শন হওয়ায় পাকিস্তানের সিনিয়ররা 'ঈর্ষা করতো' শেহজাদকে

সুদর্শন হওয়াই নাকি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল আহমেদ শেহজাদের জন্য। এমনকি পাকিস্তান দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররাও নাকি মেনে নিতে পারেননি তার ভক্ত সমর্থক বেড়ে যাওয়ার ব্যাপারটি।

শুক্রবার শেহজাদ হাজির হয়েছিলেন আহমেদ আলী বাটের পডকাস্টে। সেখানেই নিজের ক্যারিয়ারের এমন সময়ের ঘটনা সামনে এনেছেন। শুধু শেহজাদই নন, পাকিস্তান দলে আরও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারও নাকি এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন। ‘দেখতে ভালো হওয়াটাও অনেক সময় আমার জন্য সমস্যার কারণ হয়েছে। আমাদের জগতে, আপনি যদি দেখতে ভালো হন, সুন্দর পোশাক পরেন, ভালো কথা বলেন, কিছু মানুষ আপনাকে ঈর্ষা করতে শুরু করবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটার (দেখতে ভালো) জন্য পাকিস্তান দলে আমি লক্ষ্যবস্তু ছিলাম। আমি শুধু নিজের কথা বলছি না। দলে আরও কেউ কেউ এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল। যদি আপনার ভক্ত-সমর্থক বাড়তে শুরু করে, মানুষ আপনাকে বাহবা দিতে শুরু করে, কিছু সিনিয়র ক্রিকেটার সেটা মানতে পারত না।’

লাহোরের আনারকলি থেকে উঠে এসেছেন শেহজাদ। খুব অগ্রসর এলাকা না হলেও শেহজাদ নিজের চেষ্টাতেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের ভিত গড়ে ফেলেছিলেন। এ কারণেও পাকিস্তান দলে বৈষম্যের স্বীকার হতে হয়েছিল বলে দাবি শেহজাদের।

তার ভাষ্য, ‘আমি ছোট একটি এলাকা থেকে এসেছি। যখন আমি (নৈপুণ্যের জন্য) স্বীকৃতি পেলাম, তখন নিজেকে নিয়ে কাজ করেছি, ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটিয়েছি। কিন্তু পাকিস্তান দলে এটাই বড় দেসমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।’

পাকিস্তানের হয়ে ১৪০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন শেহজাদ। তবে ২০১৯ সালের পর পাকিস্তানের জার্সিতে আর খেলার সুযোগ পাননি তিনি। এরপরও ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। গত বছর পাকিস্তান সুপার লিগে কোনো দল পাননি তিনি। এরপর তিনি সেটাকে ইচ্ছাকৃত বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন।