মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ৮ উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে ফরচুন বরিশাল। টসে জিতে আগে ব্যাট করে মাত্র ১১৬ রানে অলআউট হয় সিলেট। জবাবে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য জুটিতে সহজ জয় তুলে নেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
৯ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার শীর্ষে রংপুর রাইডার্স। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে ফরচুন বরিশাল। চিটাগং কিংস ১০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে, খুলনা ও রাজশাহী সমান ৮ পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে চার ও পাঁচ নম্বরে। ঢাকা ক্যাপিটালস ১০ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে, আর মাত্র ৪ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে সিলেট স্ট্রাইকার্স।
পাওয়ার-প্লেতে ৩৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সিলেট। জর্জ মুসসে, রনি তালুকদার, জাকির হাসান ও কাদিম এলেইনের কেউই ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘর। কাদিম ফিরেছেন শূন্য রানে।
ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে আহসান ভাটির সঙ্গে জাকের আলীর ২৬ বলে ৩২ রানের জুটি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে। জাকের ১৯ বলে ২৪ ও ভাটি ২৯ বলে ২৮ রান করে আউট হন। তবে টেল-এন্ডাররা তেমন কিছু করতে না পারায় ১৮.১ ওভারে মাত্র ১১৬ রানেই থামে সিলেট।
বরিশালের হয়ে ফাহিম আশরাফ একাই শিকার করেন ৫ উইকেট (৪-০-১৯-৫)। মোহাম্মদ নবি ও জেমস ফুলার নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।
১১৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার তাওহীদ হৃদয় ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর দাউইদ মালানও ব্যর্থ হন, ৮ বলে ৯ রান করে আউট হন। তবে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৬০ বলে ৮১ রান যোগ করেন।
তামিম ৫১ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন। মুশফিক ৩০ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। বরিশাল ২৪ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
৫ উইকেট নিয়ে ফাহিম আশরাফ ছিলেন বরিশালের বোলিং নায়ক। তার দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্সেই সিলেটকে গুটিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ম্যাচ শেষে ফাহিমই নির্বাচিত হন প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ।
এই জয়ের ফলে ফরচুন বরিশাল প্লে-অফে জায়গা করে নিলেও সিলেট স্ট্রাইকার্সের এবারের আসরে টিকে থাকার স্বপ্ন কার্যত শেষ।