শুল্ক প্রত্যাহার না হলে বন্দর থেকে ফল খালাস বন্ধের হুমকি

তাজা ফল আমদানিতে বর্ধিত ভ্যাট এবং অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে চট্টগ্রামে মানববন্ধন করেছে ফল ব্যবসায়ীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় নগরের রেলওয়ে মেনস ক্লাবস্থ ফলমন্ডির সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে তাজা ফল আমদানিতে বর্ধিত ভ্যাট এবং অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার না হলে ২ ফেব্রুয়ারি এনবিআর ভবনের সামনে অবস্থান এবং ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে চট্টগ্রাম বন্দরসহ দেশের সব সমুদ্র, নৌ এবং স্থলবন্দর দিয়ে আমদানিকৃত তাজা ফল খালাস বন্ধের হুমকি দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজ¦ী মুহাম্মদ আলী হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম। এ সময় বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ ফরহাদ উদ্দিন, হাজ্বী মুহাম্মদ আলমগীর, আমদানিকারক আবুল কালাম আজাদ, নাজমুল হাসান মাহমুদ শিমুল, আবু বক্কর, জুনাইদুল হক ও ফল ব্যবসায়ী হোসেন বক্তব্য রাখেন।

সৈয়দপুরে ফল ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন : আমদানি করা ফলমূলকে বিলাসি পণ্য হিসেবে গণ্য করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ফলমূলের ওপর ১৩৬ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার পাইকারি ও খুচরা ফল ব্যবসায়ী সমিতি। গতকাল বৃহ¯পতিবার শহরের পাঁচমাথা মোড়ে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ই¤েপার্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়। ফল ব্যবসায়ীরা জানান, ২০২১-২২ অর্থবছরে স¤পূরক শুল্ক ছিল ৮৯.৩২ শতাংশ। ২২-২৩ অর্থবছরে তা হয়েছিল ১১৩.৮০ শতাংশ, ২৪-২৫ অর্থবছরে ১১৮ ৮০ শতাংশ। একই অর্থবছরে ৯ জানুয়ারি জারিকৃত ১৩৬ নম্বর এসআরও এর আলোকে ১৩৬.২০ শতাংশ শুল্কারোপ করা হয়েছে। যার প্রতিবাদে এই মানববন্ধন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ওই অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সৈয়দপুর পাইকারি ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শাহ আলম।