গাজীপুরের শ্রীপুরে সাফারি পার্কে আনা হয়েছে বিপন্ন ১১টি মুখপোড়া হনুমান। একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে পাচারের জন্য নেওয়া হচ্ছিল এ হনুমানগুলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ অভিযান চালায়। এ সময় একটি সাদা প্রাইভেটকার থেকে ১১টি মুখপোড়া হনুমান উদ্ধার করা হয়। পরে পাচারে জড়িত তিনজনকে আটক করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
উদ্ধার হওয়া হনুমানগুলো শুক্রবার পার্কের কোয়ারেন্টাইন বেষ্টনীতে রাখা হয়েছে। পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) রফিকুল ইসলাম উদ্ধার হওয়া হনুমানগুলো বুঝে নেন। গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার স্বামীবাগ এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল হনুমানগুলো।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ ঢাকা বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নিগার সুলতানা বলেন, একটি সাদা প্রাইভেটকার থেকে ১১টি ছোট বড় মুখপোড়া হনুমান উদ্ধার করা হয়। সে সময় ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনিক সাহা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন পাচারকারীকে তিন মাস করে কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পরে সেগুলো শুক্রবার সকালে সাফারি পার্কে নেওয়া হয়।
বন বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিপন্ন হনুমান উদ্ধার করার সময় একটি গাড়ি জব্দ করা হয়। পাচারকারীরা প্রাণীগুলো চট্টগ্রাম থেকে কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাচ্ছিল।
গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসিএফ) রফিকুল ইসলাম বলেন, ১১টি মুখপোড়া হনুমান সাফারি পার্কে পাঠানো হয়েছে। এগুলো নিয়ম অনুযায়ী পার্কের কোয়ারেন্টাইন জোনে রাখা হবে। এর আগেও জানুয়ারিতে আরও ৮টি মুখপোড়া হনুমান উদ্ধারের পর সাফারি পার্কে আনা হয়েছিল।