বাড়ছে দর্শনার্থী ও বিক্রি পাঠকপ্রিয়তায় শীর্ষে থ্রিলার

অমর একুশে বইমেলার ১২ দিন পেরিয়েছে। দিন যত গড়াচ্ছে মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা ও বিক্রির হার বাড়ছে। দূর-দূরান্ত থেকে পাঠক-পাঠিকারা বইমেলায় আসছেন এবং নিজেদের পছন্দমতো বই কিনছেন। অমর একুশে বইমেলায় প্রতিবারের মতো এবারও নতুন প্রজন্মের পাঠকের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে উপন্যাস, গল্প, থ্রিলার ও ভৌতিক কাহিনিনির্ভর বই। নতুন করে এ তালিকায় যুক্ত হয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানবিষয়ক বই। অধিকাংশ বই এখনো প্রকাশিত না হওয়ায় পাঠকরা ফিরে যাচ্ছেন।

গতকাল বুধবার বইমেলা প্রাঙ্গণে অনন্যা, মিজান, ঐতিহ্য, অক্ষর প্রকাশনী, পাঞ্জেরী পাবলিকেশনস লিমিটেড, পুথিনিলয় পাবলিকেশনসসহ আরও বেশ কয়েকটি স্টলে ঘুরে প্রকাশক, বিক্রেতা ও বই কিনতে আসা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে। তারা বলেন, দিন যত গড়াচ্ছে দর্শনার্থীদের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। বিক্রিও বেড়েছে অনেক বেশি।

বইমেলা ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন স্টল, প্যাভিলিয়ন ঘুরে বইপ্রেমীরা পছন্দের বই কিনছেন। মেলার ১১তম দিনে গতকাল বই জমা পড়েছে ৮৯টি। এ পর্যন্ত জমা পড়া নতুন বইয়ের সংখ্যা ৯১৭টি।

মিজান পাবলিশার্সের একজন বিক্রেতা জানান, তাদের স্টলে হুমায়ূন আহমেদ, ইমদাদুল হক মিলনের বইয়ের ক্রেতাই বেশি। এর বাইরে শিশুদের বইয়ের ক্রেতাও ভালো। বিক্রিও বেড়েছে অনেক বেশি। অনিন্দ্য প্রকাশের মোশতাক আহমেদের প্যারাসাইকোলজিক্যাল থ্রিলার মৃত্যুবন্দি এবং ভৌতিক উপন্যাস মায়াবী জীবন বইটি বেশি চলছে।

পুথিনিলয় প্যাভিলিয়নের বিক্রয়কর্মী সাহিল বলেন, ‘আমাদের এখানে উপন্যাসগুলো বেশি চলে। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস বেশি চলছে। তবে অনেকেই জুলাই অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক বই খোঁজেন। আমাদের প্রকাশনীতে অভ্যুত্থান নিয়ে একটি বই আসার কথা, এখনো আসেনি। তবু ভালোই কাটতি যাচ্ছে।’

বাতিঘর প্রকাশনীতে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে রচিত বদরুদ্দীন উমরের বাংলাদেশে জুলাইয়ের অভ্যুত্থান বইটির কাটতি বেশি। বইটির মূল্য ১৫০ টাকা। বইটি কিনছেন তরুণরা।

অন্যপ্রকাশ প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মী মোরসালিন বলেন, ‘আমাদের এখানে ফরহাদ হোসেনের ইনসমনিয়া এবং ধূম্রজালে খেদু মিয়া থ্রিলার প্যারাসাইকোলজিক্যাল উপন্যাস বেশি চলছে।’ আরেক বিক্রয়কর্মী ইসরাত জাহান জানান, তাদের স্টলে সাদাত হোসেনের ‘আগুনডানা মেয়ে’ বইটি সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে।