শাহরুখ-সালমানের পরিচালক হতে চাই

সোনু সুদ। কভিড মহামারীর সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবার পর অনেকে তাকে বলেন গরিবের রবিনহুড। যে নামেই পরিচিতি হোক না কেন তার আসল পরিচয় ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ফতেহ’র মাধ্যমে পরিচালক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছেন তিনি। ফিল্মফেয়ারে দেওয়া তার এই সাক্ষাৎকার ভাষান্তর করেছেন এ এস এম বুখারী।

ম্যাস হিরো হতে কেমন লাগে? এর দায়িত্বভার বুঝতে পারেন?

এই নামে পরিচিত হতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। আমি বুঝতে  চেষ্টা করি এটি এমন কিছু, যা আমাকে গণমানুষের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এই ভাবনা আমাকে অনুপ্রাণিত করে। হয়তো কেউ মনে করে আমার পরিবর্তন আনার সামর্থ্য রয়েছে। মানুষের কল্যাণের জন্য আমি যে দায়িত্ব অনুভব করি তা সত্যিই আশীর্বাদ।

কভিডের সময় স্বেচ্ছায় বহু মানুষকে সাহায্য করেছেন এবং এখনো করছেন।

আমি মনে করি ‘আশা’ ও ‘প্রচেষ্টা’ শব্দ দুটি আমার জীবনযাপনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যখন আপনার প্রতি মানুষের সেই বিশ্বাস থাকবে না, তখন নিজেকে সফল বলার কোনো মানে হয় না। যখন একজন সাধারণ মানুষ দৃঢ়ভাবে মনে করেন আমি ভালো কিছু করতে পারি, তখন তা সত্যিই আমাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

পরিচালক হিসেবে অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

আমার কাছে ‘ফতেহ’ নিজেই একটি অভিজ্ঞতা। আমি সত্যিই সিনেমাটি উপভোগ করেছি। সাইবার ক্রাইমের মুখোমুখি হওয়া অনেকের সম্পর্কে জানতে পেরেছি, যে কারণে আমি এই সিনেমাটি বানিয়েছি।

অভিনয় ও পরিচালনা কতটা আলাদা?

অভিনেতা হিসেবে অনুভূতিগুলো পরিচালনার মাধ্যমে জীবন্ত করে তোলা যেতে পারে। যেহেতু আমার চাওয়া ছিল, তাই আমি অভিনেতা হিসেবে আমার কাজটি করেছি এবং আমার সিনেমা পরিচালনা করেছি।

কী কারণে পরিচালক হতে চেয়েছেন?

ব্যক্তিগতভাবে আমি বিশ্বকে দেখাতে চেয়েছি আমার মাথায় একটি চিত্রনাট্য ছিল। ফতেহ আমার প্রথম সিনেমা এবং এখনো আমি সৎ। আমি দেখাতে চেয়েছি, হিন্দি সিনেমা কীভাবে হলিউড অ্যাকশনের সমতুল্য হতে পারে।

জ্যাকুলিনের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন?

জ্যাকুলিনের সঙ্গে কাজ করা সত্যিই বিশেষ কিছু। ‘ফতেহ’-এর গল্পে যে চরিত্রটি দেখাতে চেয়েছি, তার সঙ্গে মানানসই চরিত্রের জন্য আমি তাকে (জ্যাকুলিন) চরিত্রে ভেবেছি।

সুযোগ পেলে বলিউডের কোন অভিনেতাকে নির্দেশনা দেবেন?

আমি শাহরুখ খান বা সালমান খানকে নির্দেশনা দিতে চাই, কারণ তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দারুণ।

শোবিজের কোন বিষয়টি নিয়ে আপনি গর্বিত?

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করি। সহায়তার জন্য অনেকে আমার বাড়িতে আসে। এটি আমাকে একজন ব্যক্তি এবং অভিনেতা হিসেবে অর্জনের অনুভূতি দেয়।

২০২৫ সালে কী প্রত্যাশা?

এই বছরটি বিশেষ কিছু। পরিচালক হিসেবে আমার পথচলা শুরু হয়েছে। এটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। লেখালেখি ও নির্মাণে আমার আগ্রহ রয়েছে।