ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি পদপ্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহব্বায়ক এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক একেএম হারুন অর রশীদ হারুন বলেছেন,‘আমি সভাপতি হতে চাই না,আমি বাজারের সকল ব্যবসায়ীদের প্রধান পাহারাদার হতে চাই।’
রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঈশ্বরগঞ্জ প্রেসক্লাবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
জানা গেছে, প্রায় ২১-২২ বছর পর ঈশ্বরগঞ্জ পৌর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচনে ৪টি পদের বিপরীতে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যেখানে ৮৭৪ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন। সভাপতি পদে লড়ছেন তিনজন প্রার্থী। এতে সভাপতি পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এ.কে.এম হারুন অর রশীদ হারুন।
আগামী (২৫ ফেব্রুয়ারি) সোমবার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন ঘিরে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে ঈশ্বরগঞ্জ পৌর বাজারের অলিগলি। এ নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. ইকবাল হোসাইন।
জানা গেছে, উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ বাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক শহর হিসেবে খ্যাত। এখানে রয়েছে ১ হাজারেরও বেশি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। বাজারটির রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের গতি ধারা বাজার কমিটির ওপর নির্ভরশীল। যে কারণে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে একটি স্বচ্ছ ও কর্মঠ কমিটির বিকল্প নেই। তারই ধারাবাহিকতায় ব্যবসায়ী ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচিত করবেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে।
এদিকে নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসে প্রার্থীরা নিজেদের স্বচ্ছতা ও দক্ষতা তুলে ধরে বাজার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিরামহীনভাবে ছুটে চলেছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। ভোটাররা বলছেন বাজারের উন্নয়নে কাজ করবে এমন নেতৃত্ব বাছাই করবেন তারা।
সভাপতি প্রার্থী একেএম হারুন অর রশীদমতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের লিখিত আকারে অঙ্গীকারগুলো তুলে ধরে বলেন, ‘আমি যদি নির্বাচনে জয়ী হতে পারি তাহলে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। পৌর বাজারের প্রধান সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, বাজারের অন্তর্ভুক্ত সকল অনিরাপদ জায়গাগুলিতে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। হোটেল-রেস্টুরেন্ট এবং মিষ্টির দোকানগুলিতে খাদ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে মান নিশ্চিত করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রমজান মাসে প্রতিদিন পৌর বাজার সমিতির উদ্যোগে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে। ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় অর্থ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ব্যাংক-বীমা-এনজিও'র সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’ এসময় তিনি সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা চেয়েছেন।