সরকারের ব্যয় কমাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা খাতে বরাদ্দ করা বাজেট স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সক্ষমতা বিভাগ- ডিওজিই। দেশটির ফেডারেল সরকারের ব্যয় সংকোচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পঘনিষ্ঠ বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক পরিচালিত সংস্থাটিকে। তারই অংশ হিসেবে এক সিদ্ধান্তে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রাকৃতিক ইত্যাদি খাতে বরাদ্দ অর্থ বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।
রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিজেদের অ্যাকাউন্টে সংস্থাটি এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। সেই তালিকায় আছে বাংলাদেশের নাম। সংস্থাটির ঘোষণায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থ সাশ্রয়ের জন্য আগের প্রশাসনের বরাদ্দগুলো বাতিল করা হয়েছে।
এরপর কয়েকটি দেশের নাম ও যে খাতে যতটুকু অর্থ বরাদ্দ ছিল তা তালিকাবদ্ধ করা হয়েছে।
এর মধ্যে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি শক্তিশালী করার জন্য প্রায় ৩ কোটি ডলারের বরাদ্দ রয়েছে। এই কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিবেশী দেশ ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য ২ কোটি ১০ লাখ ডলারের কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে বলে এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে জানিয়েছে ডিপার্টমেন্ট অব গভার্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে নির্বাচনব্যবস্থার কনসোর্টিয়াম এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে ৫০০ কোটি ডলারের বাজেট স্থগিত করেছে এই সংস্থাটি।
তালিকায় আরও কয়েকটি দেশ ও তাদের জন্য বাতিলকৃত তহবিলের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মোজাম্বিকের জন্য ১ কোটি, কম্বোডিয়ার জন্য ২৩ লাখ, সার্বিয়ার জন্য ১ কোটি ৪০ লাখ, মলদোভার জন্য ২ কোটি ২০ লাখ, নেপালের জন্য ৩ কোটি ৯০ লাখ এবং মালির জন্য ১ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।