মাদারীপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা, কুপিয়ে ৭ জনকে জখম

মাদারীপুরে পূর্বশত্রুতার জের ও বিয়ের দাওয়াত দেওয়াকে কেন্দ্র করে ৭ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ, ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন যাবত একটি শিশু ধর্ষণের মামলা নিয়ে শহীদুল খানের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন কুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি রফিকুল হাওলাদারসহ তার লোকজন। একপর্যায়ে ক্ষমতাবলে মামলাটি মীমাংসা করলেও আক্রোশ কাটেনি তাদের। শুক্রবার শহীদুলের চাচাতো ভাইয়ের বিয়ের বৌভাত অনুষ্ঠানে রফিকুলসহ তার লোকজনকে দাওয়াত করা হয়।

এসময় তারা দাওয়াত ফিরিয়ে দেন এবং নিজেরা খাওয়ার আয়োজন করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রফিকুল ও সালাম হাওলাদারসহ তার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা চালায়। এসময় শহীদুলসহ ৭ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে তারা। পরে আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত শহিদুল খান বলেন, আমার চাচাতো ভাইয়ের বিয়ের বৌভাত অনুষ্ঠানে মেম্বার রফিকুলসহ তাদের বাড়ির সবাইকে দাওয়াত দিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের দাওয়াত ফিরিয়ে দিয়ে নিজেরা খাওয়ার আয়োজন করে। এরপর আবার আমাদের অনুষ্ঠান পণ্ড করার জন্য হামলা চালায়। এখন আমরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছিলাম। সেই জেরেই এই হামলা করেছে।

অভিযুক্ত কুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য রফিকুল হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

হাসপাতাল দায়িত্বরত এএসআই আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ ঘটনায় আহত ৭ জন মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।