ওজন কমাতে সাধারণ নিয়ম

জীবনযাপনে কিছু বিষয় সচেতন

থাকলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। খাবার প্লেট ছোট রাখলে খাবারও কম খাওয়া হয়। কারণ প্লেটভর্তি খাবার নিলেও জায়গার স্বল্পতায় বেশি খাবার ওঠানো যায় না। প্রধান বিষয় হলো, খাওয়ার পরিমাণ কমানো। খাবার পরিমাপের জন্য কাপ বা চামচ ব্যবহার করার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। দেহে চর্বি ও চিনি শোষণের মাত্রা কমানোর সেরা উপায় হলো দ্রবণীয় আঁশসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া। যা খাবারে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে রাখতে সাহায্য করে। রাতে খাওয়ার পর হাঁটা। খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করা। খাওয়ার আগে পানি পানে পেট ভরা অনুভূতি দেয়। ফলে বেশি খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করা যায়। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া ভালো না। মিষ্টি, ক্যান্ডি, চকলেট, সাদা রুটি বা পাউরুটি, চিপস ইত্যাদি খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।

প্রক্রিয়াজাত চিনি জীবন থেকে বাদ দিলে রক্তচাপ, দীর্ঘদিনের প্রদাহ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে প্রোটিন বা আমিষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং ও ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে সকাল ৮ থেকে রাত ৮ মধ্যে সাধারণ খাওয়া-দাওয়ার পর আর কোনো খাবার গ্রহণ না করা। পরের দিন সকাল ৮ আবার নাশতা দিয়ে শুরু। সাধারণ সময়ে খাবার না খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়, ফলে ক্ষুধা বেশি পায়, যে কারণে খাওয়া বেশি হয়। তাই কোনো বেলা খাবার খাওয়া বাদ দেওয়া যাবে না। সরাসরি চিনি খাওয়া বাদ দিয়ে বরং চিনির চাহিদা পূরণে প্রাকৃতিক উৎসের ওপর নির্ভরতা বাড়াতে হবে। যেমন মিষ্টিজাতীয় ফল, মধু, মিষ্টি সবজি। ধীরে চিবিয়ে অনেক সময় নিয়ে খাওয়া ভালোমতো চিবিয়ে খেলেও ক্যালরি পোড়ে। বেশি বেশি ফল সবজি খাওয়া। বিকেলের নাশতায় অন্য কিছুর চেয়ে ফল খাওয়া ওজন কমাতে উপকারী ভূমিকা রাখে।