অনুমোদন পেলে আগামী মাসে শুরু বে টার্মিনালের কাজ

বে টার্মিনাল নিয়ে সুখবর দিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মরিুজ্জামান। আগামী মাসে এর কাজ শুরু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। যদিও এর আগে কয়েক দফায় বে টার্মিনালের সুখবর পাওয়া গেছে, কিন্তু বাস্তবে এর দেখা পাওয়া যায়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার শহীদ মো. ফজলুর রহমান মুন্সী অডিটরিয়ামে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় চবক চেয়ারম্যান আগামী মাসে কাজ শুরুর আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চেয়ারম্যান বলেন, দেশের গেম চেঞ্জার হবে বে টার্মিনাল। আগামী মাসে ডিপিপি অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে। ইতিমধ্যে ৫০০ একর জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। বাকি ভূমিও অধিগ্রহণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সব ঠিক থাকলে ২০২৯ সালে বে টার্মিনাল অপোরেশনে যেতে পরে। এই টার্গেট নিয়ে কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

মাতারবাড়ী প্রসঙ্গে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, বে টামিনাল চালু হতে পারে ২০২৯ সালে। তার পরপরই অপারেশনে আসবে মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।

হালিশহর থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের তীরে বে টার্মিনালের আওতায় চারটি টার্মিনাল নির্মিত হবে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের আওতায় একটি মাল্টিপারপাস টার্মিনাল নির্মিত হবে, এর দৈর্ঘ্য ১ হাজার ২৫০ মিটার। বাকি তিনটি টার্মিনালের প্রতিটি দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ১২৫ মিটার করে। এর মধ্যে দুটি কনটেইনার টার্মিনাল ও একটি অয়েল টার্মিনাল হবে। দুটি কনটেইনার টার্মিনালের একটি পিপিপির আওতায় নির্মাণ করবে পোর্ট অব সিঙ্গাপুর ও অন্যটি দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ড। এ ছাড়া অয়েল টার্মিনালটি বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে নির্মাণ করবে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ইস্ট কোস্ট। হালিশহরের ইপিজেড থেকে দক্ষিণ কাট্টলী রাসমনি ঘাট পর্যন্ত সাগরের ভেতরের প্রায় ২ হাজার ৩০০ একর জায়গায় বে টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।