ধর্ষণের পর হত্যা অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর আগুন

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে নিজ বাড়ির অদূরে ওয়াজ মাহফিলে গেলে বিনা পয়সায় আইসক্রিম খাইয়ে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর শ^াসরোধে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয় বিক্রেতা। ঘটনার ২ দিন পর গত বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে জেলার সিরাজদীখান উপজেলার পশ্চিম রশুনিয়া গ্রামের মাদ্রাসাসংলগ্ন পুকুরের কচুরিপানার নিচ থেকে ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। থানা হেফাজতে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আইসক্রিম বিক্রেতার স্বীকারোক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিকে, গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার উত্তর তাঁজপুর গ্রামের আইসক্রিম বিক্রেতার বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী।  সকাল ৮টার দিকে গ্রামবাসী জড়ো হয়ে তার বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে আসবাবপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়।

সিরাজদীখান থানার ওসি শাহেদ আল-মামুন জানান, ওয়াজ মাহফিল থেকে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরদিন বুধবার দুপুরে সন্দেহভাজন আইসক্রিম বিক্রেতাকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশ সোপর্দ করে। একই দিন নিখোঁজ ছাত্রীর মা বাদী হয়ে সিরাজদীখান থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আইসক্রিম বিক্রেতাকে বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জ আদালতে নেওয়া হয়। থানা হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এদিন রাতেই তাকে সিরাজদীখান থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এতে আইসক্রিম বিক্রেতা পুলিশের কাছে ছাত্রীকে ধর্ষণের পর শ^াসরোধে হত্যার বর্ণনা করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বিক্রেতা সাব্বির জানিয়েছে, সে বিনা পয়সায় ওই ছাত্রীকে আইসক্রিম খাওয়ান। এরপর নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পর শ^াসরোধে হত্যা করে ছাত্রীর মরদেহ ওই মাদ্রাসাসংলগ্ন ব্যঙ্গ দিঘি নামে পুকুরে ফেলে দেয়।