শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদীতে ডাকাতি ও পিটুনির ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। গত শনিবার রাতে পালং মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে ও ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা দুটি করেছেন।
মামলায় আসামি হিসেবে ডাকাত সন্দেহে পিটুনিতে আহত পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৮ থেকে ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
পালং মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত ১১টার দিকে মাদারীপুরের রাজারচর এলাকায় বাল্কহেডে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ডাকাতির চেষ্টা করে। পরে তাদের ধাওয়া দেয় জনতা। এ সময় কীর্তিনাশা নদী দিয়ে স্পিডবোট নিয়ে পালিয়ে শরীয়তপুরের ডোমসার ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া এলাকায় এলে স্থানীয়রা বাল্কহেড দিয়ে তাদের গতিপথ রোধ করে। এ সময় ডাকাতরা হাতবোমা ও এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে আহত হয় বেশ কয়েকজন স্থানীয় লোকজন। পরে ডাকাতরা স্পিডবোট ফেলে পালানোর সময় সাতজনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়।