ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন পদে থাকা আওয়ামী দোসরদের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। সোমবার (৩ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তারা এ দাবি জানান।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার সমন্বয়ক এস এম সুইটসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ সময় আওয়ামী শাসনামলে দুর্নীতি ও নিয়োগবাণিজ্যে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত, বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে সৎ, যোগ্য ও মেধার ভিত্তিক নিয়োগ এবং অতীতে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
সাক্ষাৎকার শেষে সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে দেখছি প্রশাসন ফ্যাসিবাদী দোসরদের অপসারণ করতে পারেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে সৎ ও যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে দাবি জানিয়েছি। কিন্তু কোনও একটি বিশেষ গোষ্ঠী বা বিশেষ কোনও পরিচয়ে কাউকে যেন নিয়োগ দেওয়া না হয় সে ব্যাপারেও আমরা কথা বলেছি। পাশাপাশি অতীতে যারা দুর্নীতি করেছে অথবা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে তাদের ব্যাপারেও যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আমাদের আশ্বস্ত করেছেন অতিদ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।
সাক্ষাৎকারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পরিবর্তিত বাংলাদেশ সৃষ্টিতে অবদান রেখেছে। অন্যান্য ছাত্র সংগঠনও আছে। সমস্ত ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আমি কথা বলি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের নব ধারার একটি দল। তারা বাংলাদেশের এই পরিবর্তন সাধন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে তারা যদি কোনও দাবি নিয়ে আসে, সেটা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মতান্ত্রিকভাবে হয়, তাহলে অবশ্যই সেই দাবিটাকে বিবেচনা করব।