মুখের স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্যেও প্রভাব ফেলে

আজ ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে, এবারের প্রতিপাদ্য A healthy mouth is A healthy mind.

. সহজ করে বলতে গেলে মুখের স্বাস্থ্যব্যবস্থা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। গবেষণা স্পষ্ট করছে, অসুস্থ্য মুখ বা মুখের রোগ থেকে শুধু মুখের স্বাস্থ্যই নষ্ট হয় না, এখান থেকে জটিলতায় পড়তে পারে আমাদের দেহের সার্বিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা সেই সঙ্গে মানসিক বিষন্নতা।

মুখের সুস্থতায় করণীয় :

দাঁত ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মুখ পরিষ্কারে উৎসাহিত করতে হবে

মনগড়া বা এলোমেলো পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ করলে ক্ষতির সম্ভাবনা আছে, দাঁতের গঠন, এলোমেলো আছে কি না, বয়স এমন অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে ব্রাশের সঠিক নিয়ম জানতে হবে, চিকিৎসকের পরামর্শ বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে অনলাইনের মাধ্যমে নিয়ম জানা যায়।

বাজারে অনেক রকম টুথপেস্টের মধ্যে কোনটা কার জন্য প্রযোজ্য ডেন্টিস্টদের কাছ থেকে জেনে নিতে পারলে ভালো, তবে ফ্লোরাইডযুক্ত পেস্ট ভালো। টুথব্রাশ নির্বাচনে নরম ব্রিসেলের ব্রাশ ভালো, ২ মিনিট করে সকাল ও রাতে খাবার পর।

টুথব্রাশ দাঁতের ৬০ থেকে ৭০ ভাগের জন্য কার্যকরী, বাকি অংশ অর্থাৎ দুই দাঁতের মধ্যবর্তী স্থানের জন্য ফ্লস বা ইন্টার ডেন্টাল ব্রাশ জরুরি।

যাদের মুখ শুষ্ক বা অন্য ক্রনিক রোগ আছে, ডেন্টিস্টদের পরামর্শে মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা যায়, তবে নিয়মিত ব্যবহারে কখনো মুখের ভালো জীবাণুরাও নষ্ট হয়।

মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খাদ্যাভ্যাস খুব জরুরি, যত মিষ্টি জাতীয় খাবার গ্রহণ করবেন তত মুখের স্বাস্থ্য হুমকিতে পড়বে। মৌসুমি ফল, শাকসবজি, ছোট মাছ, সামুদ্রিক মাছ, টক দইসহ স্বাস্থ্যবান্ধব সব খাবারই মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।

কোনো উপসর্গ না হলেও বছরে কমপক্ষে একবার বৈধ ডেন্টিস্টকে দিয়ে মুখের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে, ডেন্টিস্টের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন ঝুঁকিপূর্ণ।

দাঁত দিয়ে সুতা কাঁটা, ক্লিপ খোলা, কলম-পেনসিল চিবানো, বরফ কামড়ানো, ধূমপান, সুপারি, জর্দা, সাদাপাতা, গুল পরিত্যাগ করা।

বিশেষ কিছু অবস্থায় যেমন বিবর্ণ দাঁত, এলোমেলো ফাঁকা দাঁত, উঁচু-নিচু দাঁতের চিকিৎসা করিয়ে নেওয়া।