সর্বোচ্চ রানের ম্যাচে ৪৪ রানের হার রাজস্থানের

বছর পাল্টালেও পাল্টায়নি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। গত আইপিএলের রানার্সআপ দলটি এ মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে। এবারের আসরে প্রথম ম্যাচেই রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং রাজস্থান রয়্যালস। ৫২৮ রানের এই হাই-স্কোরিং ম্যাচে রাজস্থানকে ৪৪ রানে হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছে হায়দরাবাদ। রবিবার ঘরের মাঠে কাব্য মরানের দল ২৮৬/৬ রান সংগ্রহ করে। জবাবে রাজস্থানের ইনিংস থামে ২৪২/৬ রানে। 

টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজস্থানের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রিয়ান পরাগ। তবে সেই সিদ্ধান্ত যে কতটা ভুল ছিল, তা ম্যাচ গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। হায়দরাবাদের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ রাজস্থানের বোলিং আক্রমণকে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ করে দেয়।

হায়দরাবাদের ব্যাটিং আক্রমণের নেতৃত্বে ছিলেন ঈশান কিশান। ৯টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১০৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ট্রেভিস হেড ৬৭ রান এবং নীতীশ রেড্ডি ১৫ বলে ৩০ রান করে দলের রানের চাকা সচল রাখেন। মাত্র এক রানের জন্য আইপিএলের ইতিহাসে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি হায়দরাবাদ। 

রাজস্থানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হতাশাজনক ছিলেন জফ্রা আর্চার। চার ওভারে ৭৬ রান খরচ করেছেন তিনি। যদিও তুষার দেশপান্ডে ও সন্দীপ শর্মা কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেন, তবে বিশাল লক্ষ্য আটকানো তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। 

২৮৮ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রাজস্থান দ্বিতীয় ওভারেই বড় ধাক্কা খায়। সিমরজিৎ সিংহের বলে যশস্বী জয়সওয়াল এবং রিয়ান পরাগের দ্রুত বিদায়ে চাপে পড়ে দলটি। সঞ্জু স্যামসন (৬৬) এবং ধ্রুব জুরেল (৭০) চেষ্টা করলেও রান তোলার গতি পর্যাপ্ত ছিল না। শেষদিকে শিমরন হেটমায়ার (৪২) ও শুভম দুবে (৩৪*) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও জয় নিশ্চিত করতে পারেননি। 

এই জয় দিয়ে আইপিএলের মিশনে দারুণ শুরু করল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। অন্যদিকে, রাজস্থানের জন্য পরবর্তী ম্যাচগুলো আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।