জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আন্দোলনকারী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার নেতা সাইফুল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা হামলা মামলা দিয়ে হয়রানি অভিযোগ উঠেছে একই উপজেলার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোর্শেদ আলম ও যুগ্ম আহ্বায়ক বাউন্ডারী শহিদের বিরুদ্ধে। তাদের চাঁদা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে সেই এলাকায় জুলাই আন্দোলনে মাস্টারবাড়িতে শহীদ তোফাজ্জল হোসেন নামে একজন নির্মাণ শ্রমিক হত্যা মামলায় তাদের আসামি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্র্যাব) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সাইফুলের বড় ভাই আবু সাঈদ সরকার এসব অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সরকারের বিরুদ্ধেও করা হয়েছে হয়রানিমূলক মামলা। ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হরিরবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুছ ছালাম সরকারের ছেলে তারা।
সংবাদ সম্মেলন আবু সাঈদ বলেন, সাইফুল গেল ২৪-এর ছাত্র জনতার আন্দোলনে জীবন বাজি রেখে অংশ গ্রহণ করেন। সেই সময় মাস্টারবাড়িতে তোফাজ্জল হোসেন নামে একজন নির্মাণ শ্রমিক শহীদ হন। আমরা শহীদ তোফাজ্জল হোসেন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে রাজপথ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব ভূমিকা পালন করি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ২১ মার্চ একটি মামলা হয়েছে। সেই মামলায় আমার ছোটভাই যুবদল কর্মীকে ইচ্ছা করেই ফাঁসানো হয়েছে। আর এই কাজটি করেছে ওয়ার্ড যুবদল নেতা শরিফ যিনি কিনা বাউন্ডারি শহিদ ও মোর্শেদ গ্রুপের ক্যাডার।
তিনি আরও বলেন, আমার ভাই সাইফুল ইসলাম রাইদা কালেকশন লিমিটেডের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছে। ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা থেকেই উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোর্শেদ আলম ও যুগ্ম আহ্বায়ক বাউন্ডারী শহিদকে ৫০ শতাংশ ব্যবসার লভ্যাংশ না দিলে তারা ফ্যাক্টরি থেকে কোনও প্রকার মালামাল ও ময়লা পর্যন্ত বের করতে দেবেন না বলে হুমকি দেন। আমার ভাই তাদের কথায় রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।