দেশে গাইনি ক্যানসারে মধ্যে জরায়ুমুখের ক্যানসার একটি দ্রুত বেড়ে ওঠা মরণঘাতী রোগ। গ্লোবোকন নামক স্বাস্থ্যবিষয়ক জরিপকারী সংস্থার হিসাব মতে, ২০২০ সালে বাংলাদেশে জরায়ুমুখের ক্যানসারের নতুন রোগীর সংখ্যা ৮২৬৮ জন। যা দেশের জন্য ভয়াবহ চিত্র। জরায়ুমুখের ক্যানসারে আক্রান্ত নারীদের অত্যন্ত কষ্টকর, ব্যয়বহুল এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। অথচ একটু সচেতন হলেই জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব।
লক্ষণ
দুই পিরিয়ডের মধ্যবর্তী অনিয়মিত রক্তপাত।
সহবাসের পর রক্তপাত।
মেনোপজের পরে রক্তপাত।
সহবাসের সময় অস্বস্তি বা রক্তপাত।
তীব্র গন্ধযুক্ত যোনি স্রাব।
রক্তের সঙ্গে যোনি স্রাব।
ঝুঁকিতে যারা
অল্প বয়সে বিয়ে বা অল্প বয়সে যৌনমিলনে অভ্যস্ত হওয়া।
একাধিক যৌনসঙ্গী থাকা।
অধিক সন্তানের জন্মদান।
দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি ব্যবহার।
কীভাবে স্ক্রিনিং করা হয়
ত্রিশ বছরের একজন নারী হলে তিন থেকে পাঁচ বছর পরপর একবার করে জরায়ুমুখের স্ক্রিনিং করাবেন। অর্থাৎ জরায়ুমুখের সামান্য একটি পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার অবস্থাটি জেনে নেবেন।VIA, Paps, HPV/DNA টেস্ট কিংবা Colposcopy-এর যেকোনো পদ্ধতিতে স্ক্রিনিং করা যায়। একজন গাইনি ক্যানসার বিশেষজ্ঞ আপনার জন্য একটি উপযুক্ত পদ্ধতিতে চেক করে দেখবেন।
আপনার উপসর্গ থাকুক বা না থাকুক, জরায়ুমুখের স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে এ জটিল রোগটি সম্পর্কে আপনি আপনার অবস্থাটি জেনে নিতে পারেন। প্রতিরোধের এ উপায়টি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনভাবেই আপনার এগিয়ে আসা উচিত। কোনো ক্ষেত্রে উল্লিখিত লক্ষণগুলোর কোনোটি দেখা দিলে দ্রুতই একটি গাইনি ক্যানসার বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন। যত দ্রুত স্ক্রিনিং করা যাবে, ততই চিকিৎসার মাধ্যমে আরোগ্যের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।