ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন দমন অভিযানের ফলে কমপক্ষে ৩০০ বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। যা পূর্বের সংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি। সম্ভবত এই সংখ্যা এখন ৩০০-এর বেশি হতে পারে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) গায়ানায় এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘আমরা এটি প্রতিদিন করছি। যখনই আমি এই উন্মাদদের মধ্যে কাউকে খুঁজে পাই, আমি তাদের ভিসা বাতিল করি।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংখ্যাটি ৩০০-এরও বেশি হবে।
তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি একসময় আমরা পুরোপুরি শেষ করতে পারব, কারণ তখন আমরা এদের সবাইকে সরিয়ে ফেলতে পারব। কিন্তু আমরা প্রতিদিন এ ধরনের উন্মাদদের খুঁজছি, যারা ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।
অ্যাক্সিওস প্রথমে জানায়, ৩০০ বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা এমন কিছু বিশ্ববিদ্যালয়কে নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করছেন, যেখানে অনেক ‘প্রো-হামাস’ বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছে, যাতে তারা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তি করতে না পারে।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ বিষয়ে এখনো কোন মন্তব্য করেনি।
কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি, টাফটস এবং ইউনিভার্সিটি অব আলাবামার মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর একাধিক আলোচিত ঘটনা সামনে এসেছে, কারণ ট্রাম্প প্রশাসন প্রো-প্যালেস্টাইন বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসন স্থায়ী আইনানুগ বাসিন্দাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গ্রিন কার্ডধারী মাহমুদ খলিলের মতো ব্যক্তিরাও।