ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের বাড়তি চাপ থাকলেও দাউদকান্দি অংশে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে যাওয়া ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে নিজ গন্তব্য পৌঁছাতে পারছেন।
শনিবার (২৯ মার্চ) সকাল থেকে মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ থেকে গোমতী-মেঘনা টোলপ্লাজার ১৬ কিলোমিটার সড়ক পর্যন্ত কোথাও কোনো যানজটের ভোগান্তি হয়নি বলে জানা গেছে। তবে সকাল ১০টার পর মহাসড়কে যানবাহনের চাপ অনেকটাই কম দেখা গেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, দূরপাল্লাসহ আঞ্চলিক বাসগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রতিটি বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা শেষে স্থান ত্যাগ করছে। এতে করে সড়কে যানবাহনগুলোর জটলা সৃষ্টি হচ্ছে না। ফলে যাত্রী এবং চালকরাও স্বস্তিতে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটতে পারছেন।
এদিকে উপজেলা প্রশাসন মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা, গৌরীপুর ও ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এই তিনটি স্পটে ৩৬ জন স্বেচ্ছাসেবীর পালাক্রমে দায়িত্ব পালনে কমিটি করে দিয়েছেন। দাউদকান্দি টোলাজায় ৮ জন, গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে ১৬ জন এবং ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে ১২ জন স্বেচ্ছাসেবী সকাল-বিকাল যান চলাচল নির্বিঘ্নের লক্ষ্যে কাজ করছেন।
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা ইসলাম সার্বক্ষণিক মহাসড়কের তদারকি করছেন। শনিবার সকালে গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি কাজ করছেন।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা ভোগান্তিমুক্ত ও যানজট মুক্ত করতে আমরা স্বেচ্ছাসেবীরা সড়কে রয়েছি।
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা ইসলাম বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা রাখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছেন। পুরো ঈদের সময়টাতে সড়কে শৃঙ্খলা ধরে রাখতে আমরা কাজ করে যাব। ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে এ ধরনের কাজ অব্যাহত থাকবে।
মহাসড়কের পরিস্থিতির বিষয়ে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) নুরুল আফসার বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি এড়াতে আমরা দিন-রাত ডিউটি করে যাচ্ছি। এবার উপজেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতায় ভোগান্তি বিহীন স্বস্তির ঈদযাত্রায় ঘরে ফিরছে মানুষ।