জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি মুহাম্মদ আতাউর রহমান সরকার বলেছেন, নয়া স্বাধীনতার পর এবারের ঈদ নতুন একটি আবহে উদযাপিত হয়েছে। দীর্ঘ ১৬ বছর আওয়ামী লীগ মানুষের ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। আওয়ামী জুলুমের অবসানে যারা রক্ত দিয়েছে আমরা শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
আজ সোমবার বিকেলে কসবা মডেল মসজিদ চত্বরে জামায়াতে ইসলামী কসবা উপজেলা ও পৌর সভার যৌথ উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আতাউর রহমান সরকার বলেন, কোনও ষড়যন্ত্র জামায়াতের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না। জামায়াত তার অভিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাবেই।
তিনি আরও বলেন, মাহে রমজানের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে বাকি ১১ মাস আমাদের সুন্দরভাবে চলতে হবে। তাকওয়াপূর্ণ একটি সমাজ বিনির্মাণে জামায়াত কর্মীদের নিরলসভাবে কাজ করে যেতে হবে। মায়া-মমতা ও ভালোবাসা ভরা সমাজ কায়েমে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার জন্য তিনি জামায়াত কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
উপজেলা আমির অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং নায়েবে আমির মাওলানা শিবলী নোমানী ও সেক্রেটারি গোলাম সারওয়ারের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা জামায়াতের আইন ও যুব বিষয়ক সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম।
এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন আড়াইবাড়ী দরবার শরীফের পীরজাদা গোলাম কবির সাঈদী, পৌর জামায়াতের আমীর হারুনুর রশিদ, সেক্রেটারি মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি হাফেজ নুরুল আমিন, উপজেলা শিবির সাইফুল্লাহ আল আরিফ।
উপস্থিত ছিলেন আমেরিকা প্রবাসী জামায়াত নেতা মাহবুবুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি আল আমিন সরকার, পৌর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নুর মাজিদুল হক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি জামাল উদ্দিন প্রমুখ।