পুলিশের লুট করা অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ২ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

খুলনা নগরীতে দুটি বিদেশি পিস্তল, একটি শটগান ও শটগানের ৭ রাউন্ড কার্র্তুজসহ দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় আরও ৮ রাউন্ড পিস্তলের তাজা গুলি ও এক রাউন্ড এমটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন, ডুমুরিয়া উপজেলার কাঁঠালতলা এলাকার সবুর সরদারের ছেলে খাইরুল সরদার (২৭) ও পিরোজপুর জেলার চরকচুড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে ফারুক হোসেন (২৩)। তবে উদ্ধারকৃত শটগান ও শটগানের ৭ রাউন্ড কার্তুজ পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র গোলা-বারুদ।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) আয়োজিত প্রেস ব্লিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

কেএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. আহসান হাবীব জানান, পুলিশ জানতে পারে গত বুধবার রাতে হরিণটানা থানা বাঙ্গালবাড়ি রোডে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্য গোলাগুলি হয়। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তখন হরিণটানা থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে খাইরুল সরদারকে (২৭) শনাক্ত করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে থানার বাঙ্গালবাড়ি এলাকায় তাদের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়। অসতর্কতার কারণে সেখানে অস্ত্র তার হাতে থাকা পিস্তল থেকে গুলি বের হয়ে বাম হাতের তালুতে লেগে জখম হয়। তিনি সন্ত্রাসী ফারুক হোসেনের গ্রুপের লোক।

তিনি জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তাকে নিয়ে হরিণটানা থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ বাঙ্গালবাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। গুলিবিদ্ধ খাইরুল অস্ত্র বিক্রেতা ফারুক হোসেনের বাড়ি দেখিয়ে দিলে পুলিশ ফারুক হোসেনের বাড়িতে তল্লাশি করে। এ সময় ফারুককে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে রান্নাঘরের জ্বালানি কাঠের স্তূপ থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, তার বসতঘর থেকে টিনের বাক্সে রাখা একটি শটগান, শটগানের ৭ রাউন্ড কার্তুজ, দেয়ালের ওপর থেকে পিস্তলের ৮ রাউন্ড তাজা গুলি, এক রাউন্ড এমটি কার্তুজ, খাটের নিচ থেকে একটি বড় রামদা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র বেচাকেনার কাজে ব্যবহৃত একটি রানার মোটরসাইকেল ও একটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।