মডেল মেঘনাকে অপহরণের অভিযোগ সঠিক নয়

মডেল ও অভিনেত্রী মেঘনা আলমকে ‘দরজা ভেঙে বাসা থেকে অপহরণের’ যে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে, সেটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশ বলছে, ‘যথাযথ আইন মেনেই তাকে নিরাপত্তা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’

আনুষ্ঠানিকভাবে মেঘনার বিরুদ্ধে অভিযোগ সুনির্দিষ্ট না করলেও গতকাল শুক্রবার দুপুরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএমপির এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, সৌদি দূতাবাসের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মেঘনাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ।

এদিকে গতকাল দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘিœত করা, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্ক মিথ্যাচার ছড়ানোর মাধ্যমে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক অবনতির অপচেষ্টা করা এবং দেশকে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে মেঘনা আলমকে সকল আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাকে অপহরণ করার অভিযোগ সঠিক নয়। তথাপি আইনের আশ্রয় নেওয়ার অধিকার তার রয়েছে।

এর আগে গত বুধবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে মেঘনা আলমকে আটক করা হয়। ভাটারা থানা পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বুধবার মেঘনা আলমকে আটকের জন্য আবাসিক এলাকায় এসেছিলেন। সঙ্গে ভাটারা থানার পুলিশ সদস্যরাও ছিলেন। প্রথমে তিনি দরজা খুলতে চাননি। পরে তাকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয় মিন্টো রোডে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে মেঘনা আলমকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে উপস্থাপন করলে বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাকে ৩০ দিন কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন ভাটারা থানার আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জাকির হোসেন।