বছর কয়েক আগে স্থির করলাম, শহর এবং শহরের প্রান্তে ‘সংস্কৃতির’ সন্ধান করিব। বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতি। বাংলা ভাষার আগে তো আ-মরি চলে, কিন্তু সংস্কৃতির আগে? সম্ভবত ‘হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি’ বা ‘আবহমান’। দিনটি ছিল ২০১৫-এর ১৪ এপ্রিল। রাষ্ট্রীয় ক্যালেন্ডারে পহেলা বৈশাখ হলেও দেশ জুড়ে বাংলা পঞ্জিকা চর্চাকারীরা এ দিনে পালন করেন চৈত্রসংক্রান্তি। দেশের ছয় ভাগের এক ভাগ জুড়ে হাওর জলাভূমি। হাওরাঞ্চলে এ দিন বেগুন পাতার বর্তা দিয়ে চইত পরব আয়োজিত হয়। পাহাড়ে ম্রোদের চানক্রান, চাকমাদের মূল বিজু, ত্রিপুরাদের বৈসুক, মারমাদের সাংগ্রাই আর চাকদের সাংগ্রাইং শুরু এ দিনেই। বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীরা বিষু আর হাজংদের হঙঅরানীও। দেশ জুড়ে এ দিন গ্রামীণ জনপদে চৈত্রসংক্রান্তি হলেও; শুধু নগরে পান্তা-ইলিশ, সাদা-লাল পোশাকের সমারোহ আর বাংলা নববর্ষ হিসেবে রাষ্ট্রীয় ছুটি। মোহাম্মদপুরের বোটঘাট গলির বাজার থেকে গিমাতিতা, ঘৃতকাঞ্চন, তেলাকুচা, ডাঁটা, থানকুনি, কলমি, হেলেঞ্চা, শাকালু, পাট, লাল ডাঁটা, কচু শাক কিনি। শ্রীমঙ্গলে আমাদের বাসার ভেতরেই কত জাতের শাক। প্রায় ২৯ জাতের শাক কুড়িয়ে সংক্রান্তির প্রধান তিতাব্যঞ্জন রান্না হতো। সঙ্গে থাকত তিতা ডাল, আম-ডাল, টক আর নিরামিষ লাবড়া। এগুলো চৈত্রসংক্রান্তিতে আমাদের পারিবারিক নিয়ম।
সবকিছু গুঁড়িয়ে ভুঁড়িঅলা নতুন এক সড়ক তখন বাড়ছে মোহাম্মদপুরে। কর্তৃত্ববাদী সরকার কিছু মানছে না। প্রবীণবট-পাকুড়ের শেষ চিহ্নটিও উপড়ে ফেলা হয়েছে। সড়ক, সেতু, দালান এসবের জন্য কত জীবন যায়। এ কোনো দোষের কিছু নয়! যশোর থেকে আসা একটি দল বেশকিছু দিন হয় এখানে লটারি খেলা জমিয়েছে। মূলত গার্মেন্টস শ্রমিক, রিকশাঅলা আর দিনমজুরই খেলার সম্বল। কথা হয় ইদ্রিস, সেন্টু, জনি, করিম, সোহেল রানা আর মুকতাদিরের সঙ্গে। জনি আগে একটা সেলুনে কাজ করত, মাস সাতেক হলো জুতার দোকানে কাজ নিয়েছে। বাকিরা গার্মেন্টসে। পরনের পোশাকে সাদা-লালের ঝাপ্টা, সস্তা পাঞ্জাবি। তারা একসঙ্গেই ‘বুদ্ধিজীবীতে’ থাকেন, সবেমাত্র চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রা থেকে ফিরেছেন। সেন্টু আর মুকতাদিরের হাতে ভুভুজেলা। জিজ্ঞেস করি, রমনার ‘বটমূলে’ বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে যান নাই? ভুভুজেলা থামিয়ে তাদের উত্তর, নারে ভাই ওইখানে আমরা যাবার পারি না। শুনছি ভালা মাঞ্জা না মারলে ওইখানে ঢোকা যায় না। বোমা মাইর্যা নাকি মাঝেমাঝে উড়াইয়্যা ফালায়। কী খাইলেন সকালে? ‘ভাবছিলাম পান্তা-ইলিশ খামু, দাম মেলা, পারি নাই।’ ‘একটা তরমুজ কিনছি আর দুই কেজি পোলট্রি, আয়েন আমাগো লগে, দাওয়াত নেন’। সেন্টুদের আওয়াজ না মেলাতেই চারপাশ থেকে উঠতি বয়সের ছেলেরা নয়া সড়কপ্রত্যাশী দুমড়ানো এলাকাটিকে ভুভুজেলাময় করে তুলে। দেখা হয়, সুদেবের সঙ্গে। কাঁটাশুরে ১ থেকে ১০০ নামের একটি দোকানে কাজ করে। কপালে তিলক, পরনে লাল পাঞ্জাবি। জিজ্ঞেস করি, নববর্ষ করেন নাই? সুদেব উত্তর দেয়, আজ আমাগো সংক্রান্তি, গতকাইল হাজরা আর দেলপূজা গেছে, নববর্ষ তো কালকে। সকালে আম আর ছাতু খাইছি। সুদেব থেকে খবর পাই আটিবাজার ছাড়িয়ে খলামোড়ায় চড়কপূজা হচ্ছে। কয়েকটা বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে। সাদা পলিথিন ওড়িয়ে সুদেব চিৎকার দিয়ে জানায়, ‘শহরে কিছু পাইবেন না, এইডা খালি খোসা আর চিমসা আবর্জনা, গেরামে যান, গেরামে সেইরাম সব কালচার মিলবো’। সুদেবের কথায় ভর করে শহরের খোসা মাড়িয়ে সংস্কৃতির বীজ-আঁটির ভা-ার ‘গ্রামের’ দিকে রওনা হই। মনে পড়ে বিভূতির পথের পাঁচালির ক্ষুদে সংস্করণের নাম দেওয়া হয়েছিল, আম-আঁটির ভেঁপু। মোহাম্মদপুর থেকে সিএনজিতে রওনা হই আটিবাজার। সঙ্গে আলোকচিত্রী ও কিউরেটর আমিরুল রাজিব, শিল্পকর্মী নাঈম-উল-হাসান আর প্রামাণ্যচিত্রী আনোয়ার হোসেন। যারা এখন পান্থকুঞ্জ উদ্যান আর হাতিরঝিল রক্ষায় তাবু গেড়ে জীবনবাজি রেখে লড়ছে।
আটিবাজারে নেমে বিচিত্র এক ইঞ্জিনচালিত যানে খলামোড়া। খলামোড়ার মিষ্টির দোকানগুলোর নাম ও সাজিয়ে রাখা খাজা-গজার স্তূপ জায়গাটিকে অবিনাশী ঢাকা শহর থেকে নিমিষেই আলাদা করে দেয়। ভাগ্যলক্ষ্মী মিষ্টির দোকানের পাশের দেয়ালে সাঁটা চড়কপূজার পোস্টার দেখে মন কেমন করে, চড়ক হবে পরের দিন। ঘাম ঝরিয়ে চড়ক আয়োজকদের পাড়ায় যাই। বুড়িগঙ্গা নদীর ধারে কেরানীগঞ্জ উপজেলার কালিন্দি ইউনিয়নের খলামোড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এবারই প্রথম হবে চড়কপূজা। খলামোড়া হিন্দুপাড়াটি ‘দেলবাড়ি’ নামেও পরিচিত। এখানে শিবমন্দির ও রাধা-কৃষ্ণ মন্দির। শিবমন্দিরে দেলপূজা শেষ হয়েছে, শেষ হয়েছে হাজরাও। নারীরা জানালেন চৈত্রসংক্রান্তির ভোরে ৫টি বেগুন পাতায় ছাতু, কাঁচা আম, মুড়ি, খই, দই, কলা, মোয়া রেখে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়েছেন। হনুমান কাচ ও শ্মশান পূজাও হয়েছে। এসব প্রতি বছরই হয়। কিন্তু চড়কপূজা হয় না দীর্ঘদিন। কারণ এখানে কোনো চড়ক গাছ নেই, গাছ পানির তলায় বিশ্রাম নেওয়ার কোনো পবিত্র পুকুর দীঘি বা নদী নেই। শহরের দূষণে বুড়িগঙ্গা আজ আবর্জনার পাগাড়। খলামোড়ার চড়কের মূল আয়োজক শোলাশিল্পী শংকর সরকারের ভাষ্য, বুড়িগঙ্গা এখন চড়ক গাছ থাকার জন্য যোগ্য না। স্বর্ণকার নারায়ণ মন্ডল (সাধু) বুড়িগঙ্গায় বছর বিশেক আগে এক চড়ক গাছ ভেসে ওঠার গল্প শোনান। টাগই (কচুরিপানা) কাটতে গিয়ে সেই পবিত্র ‘দৈব’ গাছের সঙ্গে দেখা হয়। চড়ক গাছ রাতে আবারও স্বপ্নে দেখা দেয়, পরের দিন তিনি গাছটিকে পরিষ্কার করে দেন। তারপর গাছটি আবারও বুড়িগঙ্গার অতলে চলে যায়। একটা বিশাল তরমুজ কেটে আমাদের আপ্যায়ন করেন নারীরা। ফেরার পথে শিবমন্দিরের ভেতর ছোট বড় ত্রিশূলে গাঁথা সিঁদুরমাখা কাঁচা আম আর লালসালু জড়ানো পাট ঠাকুরের রূপকল্পটি বারবার স্মৃতিকে দেশের নানাপ্রান্তে টেনে নিয়ে যায়। খলামোড়া থেকে পাড়া গলির ভেতর দিয়ে হেঁটে মালঞ্চা গ্রামে, গ্রামটি শাকতা ইউনিয়নে পড়েছে। চারপাশে দেশের নানান অঞ্চল থেকে আসা গ্রাম-উদ্বাস্তু মানুষদের বসতি ঘিঞ্জি দিয়ে উঠেছে। কে কার আগে কত নির্দয়ভাবে কৃষি জমির গলা টিপে ধরতে পারে তার মহড়া চলছে। মোহাম্মদপুর থেকে আটিবাজার আসার পথে কত যে জমি ক্রয় বিক্রয় আর নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের দোকান! রংপুর থেকে আসা তিন মজুর নারীর সঙ্গে কথা হয়, বালিমাটি তুলে জমি ভরাটের কাজ করছিলেন। মাথা থেকে বালির ঝাঁকা শূন্য করে তারা জানান, ‘অমপুরে থাকতেও মাটি, ঢাকাতও মাটি, হামাক শরীলত জোর আছে, মাটি সরাবার পারে। কাম শেষ করি আইজ তিতা আন্ধিমু আর ডাইলে আম কাটি দিমু’। চড়ক না পেয়ে মালঞ্চা তিননাথের মাঠে চৈত্রসংক্রান্তির মেলায় ঢুকি। প্রায় ১৭৩ একর জায়গায় ৩৩ শতক একটি মন্দির, ত্রিনাথের। প্রবীণ এক বট-কদমের বিস্তার, তলায় শীতলা থান ও ত্রিনাথের মন্দির। বছরে তিন বার এখানে মেলা জমে। চৈত্রসংক্রান্তিতে, মঙ্গলচ-ীর মেলা আর পৌষসংক্রান্তিতে। মেলা আয়োজকদের পক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ ক্যামেরাপারসন কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার জানান, দেশ স্বাধীনের আগে এই মেলা বরই আচারের জন্য বিখ্যাত ছিল। সচরাচর দেশের অন্য মেলার মতোই প্লাস্টিক, চটপটি আর সস্তা প্রসাধনী এ মেলাকেও জাপটে ধরেছে। সন্ধ্যায় শেষ হয়ে যাবে বলে মুসলিম-হিন্দু নারীদের ভিড় কেনাকাটায়।
মেলা থেকে হেঁটে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে। রিকশা ও সিএনজিতে আটিবাজার, সেখান থেকে আবার মোহাম্মদপুর। কাঁটাশুরে রবি রবিদাসের জুতার দোকান। তার কাছে আটিযাত্রার বিবরণ তুলে ধরি। রবি রবিদাস জানান, ‘পাট ঠাকুর বানায় নিম কাঠ আর চড়ক গাছ বানায় গজারি কাঠ দিয়া। একটু উনিশ-বিশ হইলেই এগুলো আর কাম দিব না। এগুলো খুব মানা-মানতির বিষয়। গাস্যির দিন এই তন্ত্রমন্ত্র গুরু শিষ্যরে দান করে।’ রবি রবিদাসের সঙ্গে কথার মিল খুঁজে পাই আটি অঞ্চলের। খলামোড়া ও মালঞ্চা গ্রামের প্রবীণেরা জানান, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান ও মৈনট, ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও হেমায়েতপুর, মানিকগঞ্জের হরিরামপুর ও সিঙ্গাইর, মাদারীপুরের শিবচর অঞ্চলগুলোতে ঋতুভিত্তিক কৃত্য ও আচার অনুষ্ঠানে বেশ মিল। চৈত্রসংক্রান্তি, বেড়া ভাসানো, মঙ্গলচন্ডি, কালী পূজা, গাস্যি আয়োজন প্রায় একই রকমের। এমনকি এসব কৃত্যঅনুষ্ঠানে এখনো বাঙালি হিন্দু-মুসলিম সবারই অংশগ্রহণ থাকে। বর্ষবিদায়ের চৈত্রসংক্রান্তির কেন্দ্রীয় উপাচার এ অঞ্চলে কাঁচা আম। হাজরা ও দেলপূজায় আমের শরীরও বাণ এবং শলাকাবিদ্ধ করা হয়, রাঙা সিঁদূর মাখানো হয়। চড়কপূজাতে বড়শির ফলায় কাঁচা আম গেঁথে দেওয়া হয়। আমসহ বড়শির ফলাগুলোই সন্ন্যাসীরা পিঠে গেঁথে চড়কের গাছে চড়েন। গাছ ঘুরানোর পর সেই আম ফলা থেকে খুলে নেওয়ার জন্য বিশ্বাসী ভক্তদের ভেতর রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয়। স্থানীয় বিশ্বাস চৈত্রসংক্রান্তির এই কাঁচা আম খেলে রোগশোক ভালো হবে, সব বিপদ ও পাপমুক্তি ঘটবে, জগৎসংসার সুখেশান্তিতে ভরপুর থাকবে। অনেকে ত্রিশূল, বাণ ও শলার গায়ে কাঁচা আম ঘষা দিয়ে নেয়। গ্রীষ্ম ঋতুর উপহার এ আম ফলকে স্থানীয়রা প্রকৃতির এক নিরাময়ী নির্দেশন হিসেবে মানেন। চৈত্রসংক্রান্তির আগে এ অঞ্চলে সচরাচর কাঁচা আম খাওয়া হয় না। বিশ্বাস করা হয়, প্রকৃতি তার সঞ্জিবনী শক্তি কাঁচা আমের মাধ্যমে মানুষের ভেতর প্রবাহিত করে সংক্রান্তির নানা কৃত্যের ভেতর দিয়ে।
রবি রবিদাসের দোকানে ঢুকে অনেকেই জিজ্ঞেস করে, হালখাতা করেন নাই, জিলাপি-মিষ্টি কই? চামড়ায় সুই বিঁধিয়ে সুতাকে চক্কর দিয়ে মিন মিন করে রবি রবিদাস জানান, না এবার কুলায় নাই, হাতে টেকা পয়সা নাই, বেচা বিক্রি নাই। দোকান লাগিয়ে চলে যাবার সময় রাতে আবার রবি রবিদাসের সঙ্গে দেখা। বলেন, কাইল মাস পইলা, সকাল সকাল আইয়া দোকান খুলমু, দোকানরে ধূপ-বাত্তি খাওয়ামু, সমাজের নিয়ম কিছু তো মাইন্যা চলতে হয়। বাসায় ফিরতে ফিরতে ভাবি, কে কার কোন নিয়ম মানছে? সমাজের নিয়ম বলে কি আছে কিছু এই পাষ- শহরে? মালঞ্চা, খলামোড়া, কালিন্দি, শাকতা, শিকারীটোলা, বামনশুর এসব গ্রামের মতো সমগ্র কেরানীগঞ্জই ছিল বুড়িগঙ্গা অববাহিকার এক নিম্নসমভূমি। জ্যৈষ্ঠ থেকে কার্তিক পর্যন্ত বর্ষার পানিতে ডুবে থাকত জমিগুলো। লক্ষ্মীদীঘা, বাওয়াইল্যা, নেওলা, বাওয়াইঝাঁক ধানের জন্য বিখ্যাত ছিল এ অঞ্চল। পাট, গম, সরিষা, কালাই, ডাল, সরিষা ফল তো দেদার। মালঞ্চা গ্রামটি ট্রাংকের গ্রাম হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছিল। এখন আর এসবের কোনো চিহ্ন নাই। কৃত্য, আচার-অনুষ্ঠান, পার্বণ তো আর এমনি এমনি হয় না। উপাচার, স্নান, চর্চা আর কারিগর লাগে। পুরো কেরানীগঞ্জকে খুন করে শহরের বহুজাতিক বাণিজ্য বাহাদুরির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। মালঞ্চা গ্রামের ট্রাংক নির্মাতা শনিরাম ম-ল চৈত্রসংক্রান্তির মেলায় ত্রিনাথের মাঠে হাতের তালুর ভর রেখে জানিয়েছিলেন, ‘এখন কেউ ট্রাংক ব্যবহার করে না, এখন ব্যাগ আসিছে, ভাদ্র মাসে টুনি ফুল দিয়া ট্রাংকের সব সরঞ্জাম পূজা দিতাম। এখন টুনি ফুলও নাই ট্রাংকও নাই, পূজাও ভাগিছে’। রাতে বাসায় ফিরতে ফিরতে মনে পড়ে, ‘আমরা যা করি তাই সংস্কৃতি’। কিন্তু যদি জবরদস্তি করে কোনো কিছু বদলে ফেলা হয়, আড়াল করা হয়, নিষেধ করা হয়, দখল করা হয়, চাপিয়ে দেওয়া হয়, বৈষম্য করা হয়, উধাও করা হয় এমনতর সব কিছুই কি সংস্কৃতির অংশ হয়ে থাকবে? প্রশ্নহীন ‘আ-মরি’ ও ‘আবহমানতার’?
লেখক: গবেষক ও লেখক
animistbangla@gmail.com