গণঅভ্যুত্থানের সময় সাভারের আশুলিয়ায় গুলিতে কয়েকজনের মৃত্যুর পর লাশ পোড়ানোর অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পুলিশের বরখাস্ত তিন কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
তারা হলেন সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী ও ডিবির সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন। গতকাল এ তিনজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানিতে প্রসিকিউশন-পক্ষ তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করলে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৮ এপ্রিল এক আদেশে এ তিনজনকে ১৫ এপ্রিল হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। আদালতে প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম, গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম ও আব্দুল্লাহ আল নোমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর আব্দুস সোবহান তরফদার, সাইমুম রেজা তালুকদার।
সোহায়েলকে হাজির করা নির্দেশ : অপহরণ ও গুমের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ সোহায়েলকে আগামী ১৮ জুন হাজির করার নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়।
প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম পরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০১২ সালের দিকে ধানম-ি থেকে ছাত্রনেতা গোলাম মর্তূজা নিহিমকে যম টুপি পরিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে ৪৭ দিন আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। তখন র্যাবের কর্মকর্তা সোহায়েলের নির্দেশে এই মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। তিনি (সোহায়েল) আরও দুটি মামলায় গ্রেপ্তার আছেন।’