লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক

ইংল্যান্ডের সঙ্গে একীভূত হতে পারে স্কটল্যান্ড ক্রিকেট

ইংল্যান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে ক্রিকেট দল তৈরির ভাবনায় স্কটল্যান্ড। ১২৭ বছর পর অলিম্পিকে ফিরতে যাচ্ছে ক্রিকেট। আগামী লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে দেখা যাবে ব্যাট-বলের লড়াই। পুরুষ এবং নারী বিভাগে ছয়টি করে দল অংশগ্রহণ করবে। এখানেই হয়েছে ঝামেলার। দলের সংখ্যা কম হওয়ায় র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে থাকা দলগুলোরই সবার সুযোগ হবে না। স্কটল্যান্ডের মতো দলের তো প্রশ্নই আসে না।

অলিম্পিকে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস বা নর্দান আয়ারল্যান্ড আলাদা আলাদা দেশ হিসাবে খেলে না। একসঙ্গে গ্রেট ব্রিটেন হিসাবে অংশগ্রহণ করে। এ কারণেই ক্রিকেটে সম্মিলিত ব্রিটেন দল তৈরির ব্যাপারে আগ্রহী হয়েছে স্কটল্যান্ড। ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সিইও ট্রুডি লিন্ডব্লেড বলেছেন, ‘ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো। আমরা আলোচনা শুরু করেছি। অলিম্পিকের জন্য গ্রেট ব্রিটেন দল তৈরি করা নিয়ে কথা হচ্ছে।’

আইসিসি র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা নির্ণয় করা হলে স্কটল্যান্ড কেন, বাংলাদেশেরও সুযোগ হবে না। তবে ইংল্যান্ড নারী ও পুরুষ দুই বিভাগেই খেলতে পারবে। ছেলেদের টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে ইংল্যান্ড আছে দ্বিতীয় স্থানে, আর নারীদের র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা তৃতীয়। লিন্ডব্লেড আরও বলেন, ‘ব্রিটেন ক্রিকেট দল তৈরির জন্য ব্রিটিশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সম্মতি প্রয়োজন। অলিম্পিকে মাত্র ৬টি দল খেলার সুযোগ পাবে। তাই ব্রিটেন দল তৈরি করতে পারলে ভালোই হবে।’

পুরুষদের ফুটবল ছাড়া অলিম্পিকে সব ইভেন্টে গ্রেট ব্রিটেন হিসাবে অংশগ্রহণ করে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড। তিন দেশের সম্মিলিত দল প্রতিনিধিত্ব করে। পুরুষদের ফুটবলে আবার আলাদাভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। তবে ২০১২ সালে লন্ডন অলিম্পিকে যৌথ গ্রেট ব্রিটেন দল অংশগ্রহণ করেছিল। ২০২৮ সালের গেমসেও পুরুষদের ফুটবলে যৌথ দল দেখা যেতে পারে। তাই লিন্ডব্লেডের আশা, যৌথ ক্রিকেট দল গঠনের ক্ষেত্রেও কোনো সমস্যা হবে না।