তেজগাঁও এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি শেষে হাতিরঝিলে বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা দিয়ে স্টাফ কোয়ার্টারের বাড়ির উদ্দেশে ফিরছিলেন যুবদলকর্মী আরিফ শিকদার। পথে পূর্ব পরিচিত ইয়াসিন ও আসিফ নামে দুই যুবক তার সঙ্গে কথা আছে বলে হাতিরঝিলের ঝিল ক্যাফের সামনে নিয়ে যায়। এরপর এলোপাতাড়ি কিলঘুসি মারতে থাকে। ছুরি দিয়ে কোপায়। একপর্যায়ে চোখে-মুখে গুলি করে। গত শনিবার এমন আক্রমণের শিকার হয়ে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার মারা যান আরিফ। তবে এ হত্যাকা-ের বিষয়ে মুখ খুলছেন না তার পরিবারের সদস্যরা।
গতকাল তার মরদেহ মাদারীপুরের শিবচরের গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়।
তবে ঘটনার এক দিন পর রবিবার হাতিরঝিল থানায় একটি হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন আরিফের বড় বোন রিমা আক্তার। এ মামলায় ১০ জন আসামি করা হয়েছে।
গতকাল হাসপাতালে তার বাবা গিয়াস উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘আমার ছেলেরে ডাইকা নিয়া গুলি করছে। কয়েকজনরে পুলিশ ধরছে। জানিনা কী জন্য আমার ছেলেরে তারা মারল। আমার একটাই ছেলে। আমার তো আর কেউ রইল না।’
হাতিরঝিল থানার ওসি মোহাম্মদ রাজুর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘এ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে আমরা শনাক্ত করেছি। মামলাটি তদন্তাধীন থাকায় এর বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।’