৫ উইকেট নিয়ে মিরাজের ২০০ শিকার, জিম্বাবুয়ের ৭ উইকেট নেই

সিলেট টেস্টে ১৭৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৯৫ রান তুলে ফেলেছিল জিম্বাবুয়ের ওপেনাররা। এরপরই বাংলাদেশের দুই স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম চেপে ধরে অতিথিদের। ৬৬ রানের মধ্যে ৭ উইকেট তুলে নিয়ে জমিয়ে তুলেছে ম্যাচ। এই মধ্যে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট শিকারী মিরাজ। তাইজুল নিয়েছেন ২ উইকেট। ম্যাচে এখন পর্যন্ত ১০ উইকেট নেয়া মিরাজের ক্যারিয়ার শিকার সংখ্যা দাড়িয়েছে ২০০। 

২১তম ওভারে মিরাজ প্রথম ব্রেক থ্র এনে দেন। ৭৫ বলে ৪৪ রান করে বেন কারেন ক্যাচ দেন মিড অফে। 

৫ ওভার পর তাইজুল ১০ রান করে ওয়েলচকে করেন এলবিডব্লু। তখন জিম্বাবুয়ের স্কোর ১১২। জয়ের জন্য দরকার আরো ৬২ রান। ২ উইকেটে ১১৭ রান নিয়ে চা পানে যায় জিম্বাবুয়ে। বিরতির পর তৃতীয় ওভারেই আবার উইকেট এনে দেন মিরাজ। তার লাফিয়ে ওঠা বল শন উইলিয়ামসের ব্যাট হয়ে ওপরে উঠে গেলে কাভার–পয়েন্টে সহজ ক্যাচ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত (১৩ বলে ৯)।

নিজের পরের ওভারে আবার উইকেট মিরাজের। তার বল সামনে এগিয়ে খেলতে গিয়ে লং অনে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দেন ৮১ বলে ৫৪ রান করা ব্রায়ান বেনেট। 

এরপর বৃষ্টিতে কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হলে তাইজুল আঘাত হানেন। অধিনায়ক শন আরভিনের ব্যাট ছুয়ে যাওয়া বল উইকেটকিপার জাকের আলি ধরে ক্যাচের আবেদন জানালেও আম্পায়ার তা দেননি। রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। আল্ট্রা এজে দেখা যায়, সত্যিই লেগেছে বল আরভিনের ব্যাটে। পঞ্চম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। 

ম্যাচ জমিয়ে তোলেন মিরাজ পরের ওভারে। তাঁর অফ স্পিনে এবার শিকার নিয়াশা মায়াভো। আগের ওভারে আরভিন আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় বলেই ক্যাচ তুলেছিলেন, কিন্তু জাকির হাসান ধরতে না পারায় বেচে গিয়েছিলেন। এবার বোল্ডই হয়ে যান মায়াভো

১৭৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করা জিম্বাবুয়ে ৩০ রান দূরে থাকতে হারায় ষষ্ঠ উইকেট। ম্যাচে সম্ভাবনা জাগে বাংলাদেশেরও।