জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচার দোয়া

একজন মুসলমানের জীবনের অন্যতম বড় কামনা হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করে জান্নাতে প্রবেশ করা এবং জাহান্নামের ভয়াবহতা থেকে নিরাপদ থাকা। ইসলাম শুধু জাহান্নামের ভয় দেখিয়ে নয়, বরং তা থেকে বাঁচার সুস্পষ্ট পথনির্দেশও দিয়েছে। ইমান, নেক আমল, ফরজ পালন, পাপ বর্জন এবং দোয়ার মাধ্যমে বান্দা জাহান্নাম থেকে রেহাই পেতে পারে। নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উম্মতকে এমন কিছু দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা নিয়মিত পাঠ করলে একজন মুসলমান আল্লাহর রহমতে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি লাভ করতে পারে। কোরআন ও হাদিসের আলোকে কয়েকটি দোয়া তুলে ধরা হলো।

এক. ‘রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া কিনা আজাবান্নার।’ অর্থাৎ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ইহকালে কল্যাণ দান করুন এবং পরকালেও কল্যাণ দান করুন। আমাদের জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করুন। (সুরা বাকারা ২০১)

দুই. ‘রব্বানাসরিফ আন্না আজাবা জাহান্নাম, ইন্না আজাবাহা কানা গারামা, ইন্নাহা ছাআত মুসতাকাররাও ওয়া মুকামা।’ অর্থাৎ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি নিবৃত করুন। জাহান্নামের শাস্তি তো নিশ্চিতভাবে ধ্বংসাত্মক। নিশ্চয় তা আশ্রয়স্থল ও বসতি হিসেবে অতীব নিকৃষ্ট! (সুরা ফুরকান ৬৫-৬৬)

তিন. ‘আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।’ অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন।

ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর কথা বলার আগে সাত বার এ দোয়াটি পড়তে হয়। যদি কেউ ফজরের পর পড়ে এবং ওই দিনের মধ্যে মারা যায়, তাহলে ওই ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। আর কেউ যদি মাগরিবের নামাজের পর এ দোয়াটি পড়ে এবং ওই রাতে মারা যায় তবে তার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তি লিখে দেওয়া হয়। (আবু দাউদ)