জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) চূড়ান্ত ছাড়পত্র সংগ্রহের পরেও ১৭ হাজার ৭৭৭ জনের মালয়েশিয়া যেতে না পারার পেছনে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিরই দায় খুঁজে পেয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি।
রবিবার এ প্রতিবেদনটি বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রিটকারীর আইনজীবী তানভীর আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, যেসব রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, ভুক্তভোগীদের টাকা পরিশোধ করা হয়েছে কি না এবং তাদেরকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর বিষয়ে কোনো ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া কি না— শুনানিতে এমন প্রশ্ন তুলেছিলাম। হাইকোর্ট আগামী ২৭ আগস্টের মধ্যে এসব বিষয়ে প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
আইনজীবীদের তথ্যমতে, ২০২৪ সালে নতুন-পুরাতন বিদেশি কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়ার জন্য ওই বছরের ৩১ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে, বিমানের টিকেট স্বল্পতাসহ নানা কারণে ওই সময়ের মধ্যে ১৭ হাজার ৭৭৭ জন বাংলাদেশি মালয়েশিয়া যেতে পারেননি।
এ নিয়ে সৃষ্ট সংকটের কারণ অনুসন্ধানে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৩০ জুন এক আদেশে এ ঘটনায় কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়ে মৌখিকভাবে আদেশ দেয় হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে এ ঘটনায় কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা এবং খামখেলিপোনাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং মালয়েশিয়া যেতে ক্ষতিগ্রস্তদের জমাকৃত অর্থ সুদসহ ফেরত দিতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবেনা, এ মর্মে রুল দেন আদালত। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ ছিল হাইকোর্টের। এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি শুনানিতে আসে।