টি-টোয়েন্টিতেও জুটি গড়ে ইনিংস গভীরে নেওয়া দরকার: কোহলি

এবারের আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি) এ পর্যন্ত চারবার রান তাড়া করেছে এবং চারবারই ফিফটির দেখা পেয়েছেন বিরাট কোহলি। আরসিবিও জিতেছে চারটিতেই। এর মধ্যে রবিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল সবচেয়ে কঠিন। লক্ষ্য ১৬৩ রানের হলেও ২৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বেঙ্গালুরু। ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন সেই উইকেটে কুনাল পাণ্ডিয়ার সঙ্গে কোহলি গড়ে তোলেন ১১৯ রানের জুটি। কোহলি সহ-নায়কের ভূমিকা পালন করলেও ওই জুটির কল্যাণেই ম্যাচ জেতে আরসিবি। পরে ম্যাচ শেষে অরেঞ্জ ক্যাপ মাথায় পরে কোহলি বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে ‘জুটি গড়ে ইনিংসকে গভীরে নিয়ে যাওয়া’ কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আবারও প্রমাণ হয়েছে।

কোহলি জানান, ‘রান তাড়া করার সময় আমি চিন্তা করি স্কোর কত, কন্ডিশন কেমন, কোন বোলাররা বাকি আছে, কারা কঠিন হবে। আমি নিশ্চিত করি সিঙ্গেল ও ডাবল যেন থেমে না যায়। মাঝে মাঝে বাউন্ডারি আসতে থাকলে রান প্রবাহ সচল থাকে।’ এ বছর টি-টোয়েন্টিতে শুরু থেকেই আক্রমণ করা কঠিন হয়ে উঠেছে বলে মনে করেন কোহলি। তার মতে, ‘কেউ কেউ ভুলে যাচ্ছেন যে, টি-টোয়েন্টিতেও পার্টনারশিপ গড়ে ইনিংস গভীরে নেওয়া কতটা দরকার। এই বছর পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, ব্যাটিংয়ে নামার সঙ্গে সঙ্গেই মারতে যাওয়া সহজ নয়।’

১৬৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আরসিবি প্রথম চার ওভারে ২৬ রানে ৩ উইকেট হারায়। এরপর কোহলি ও উপরে উঠে আসা কুনাল মিলে দলকে চাপমুক্ত করেন। কুনাল শুরুতে ধুঁকলেও পরে ৪৭ বলে ৭৩ রান করেন। কোহলি ৪৭ বলে ৫১ রানে আউট হন দুশমন্থ চামিরার বলে ছক্কা মারতে গিয়ে। রান তাড়ায় এ আইপিএলে কোহলির পরিসংখ্যান  দারুণ — চার ম্যাচে ২৪৫ রান, কোনোবারই আউট হননি, শুধু দিল্লির বিপক্ষে বাদে। পুরো আসরে ১০ ম্যাচে কোহলির সংগ্রহ ৪৪৩ রান, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।