দেশে ফিরছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

বিমানবন্দর এলাকায় ভাসমান হকারদের হিড়িক

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে গুলশানে তার বাসভবন ‘ফিরোজা’। খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে বিএনপির পক্ষ থেকে নানামাত্রিক প্রস্তুতি নেওয়ার কথা আগেই জানানো হয়েছে। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তার বাসভবন ফিরোজা পর্যন্ত থাকবে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার নিয়ে সম্ভাব্য বিপুল জনসমাগমকে কেন্দ্র করে ঢাকায় ভাসমান হকারদের উপস্থিতি অনেক বেড়েছে। সকাল থেকে তাদের কেউ বাদাম, কেউ ছোলাবুট, কেউ চা-কফি, পানি, কেউ কেউ বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

হকারদের অনেকে হাজির হয়েছেন জাতীয় পতাকা, বিএনপির দলীয় পতাকা, লিফলেট, ফিতা (মাথায় বাঁধা) নিয়ে। সকালে হকারদের অনেকের সঙ্গে কথা হলে তারা জানিয়েছেন, এখনো বিক্রি পুরোদমে শুরু হয়নি। হকাররা একে অন্যের সঙ্গে পরামর্শ করছেন কে কোথায় অবস্থান নিয়ে বেচাকেনা করবেন।

ভাসমান হকার বাদাম বিক্রেতা মো. সুমন বলেন, আমরা বছরের প্রতিটি দিন বাদাম বিক্রি করি ফেরি করে। তবে কোনো সমাবেশ, জনসমাগম, ওয়াজ বা গান-বাজনা হলে সেখানে আমরা আগেই চলে যাই। কারণ জনসমাগম হলে বিক্রিও ভালো হয়।

পানি বিক্রেতা শফিক বলেন, জনসমাগম হলে সব হকাররা এক জায়গায় চলে আসি। বিক্রি ভালো হয়। আজও চলে এসেছি। আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছি কে কোথায় থাকবো (বিক্রি করবো)। যেন এক স্থানে সবাই না থাকি। এখনো মানুষ পুরোপুরি আসেনি, তাই এর ফাঁকে নাস্তাও করে নিলাম।

পান-সিগারেট বিক্রেতা মান্নান বলেন, মানুষ বেশি হলে বিক্রিও বেশি হয়। আমরা স্টেশন এলাকায় বিক্রি করলেও আজ প্রধান সড়কে থাকবো। সভা-সমাবেশ থাকলে দুটো পয়সা বেশি উপার্জন হয়। অপেক্ষায় আছি, দেখা যাক আজ বিক্রি কেমন হয়।

সকাল ১০টার দিকে কাতার রয়েল অ্যাম্বুলেন্সের বিমানযোগে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে খালেদা জিয়ার।