ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান সীমান্ত উত্তেজনার জেরে স্থগিত হয়ে যাচ্ছে চলতি আসরের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। ইতিমধ্যে বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। এরপর গভর্নিং কাউন্সিলের জরুরি বৈঠকে বসে আইপিএল কর্তৃপক্ষ। বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়, আপাতত বন্ধ রাখা হবে আইপিএলের সব খেলা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধর্মশালায় পাঞ্জাব কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালসের ম্যাচ চলাকালে শুরু হয় জম্মু সীমান্তে গোলাগুলি। পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় সেনাও। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ম্যাচ মাঝপথেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। গ্যালারির দর্শকদেরও দ্রুত মাঠ ছাড়ার অনুরোধ জানানো হয়। মাঠে নেমে ব্যক্তিগতভাবে দর্শকদের নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল।
এরপরই গভর্নিং কাউন্সিলের জরুরি বৈঠকে বসে বোর্ড। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আইপিএল স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বোর্ডের পক্ষ থেকে এখন শুধু সরকারি ঘোষণার অপেক্ষা।
উল্লেখ্য, অতীতেও করোনার মতো বৈশ্বিক মহামারি বা জাতীয় নির্বাচনের সময়ও আইপিএল বন্ধ হয়নি। প্রয়োজনে প্রতিযোগিতা সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বিদেশের মাটিতে। কিন্তু এবার সীমান্ত সংঘাতের কারণে প্রথমবারের মতো মাঝপথে থেমে গেল আইপিএল।
বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বাকি অংশ আয়োজনের একটা সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। সব দেশের আন্তর্জাতিক সূচি বিবেচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।
বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব মাথায় রেখে আপাতত আইপিএল স্থগিত থাকছে—এটাই এখন বোর্ডের অবস্থান।