নাসুমের নৈপুণ্য কাজে এলো না, কিউই ‘এ’ দল জিতলো ৪ উইকেটে

আগের দুই ম্যাচ জিতে নিয়ে সিরিজ আগেই নিশ্চিত করে নিয়েছিলেন সোহানরা। আনুষ্ঠানিকতার শেষ ম্যাচে তাই স্বভাবতই বদল আসে একাদশে। কিন্তু ব্যাটিংটা হয়নি মনমতো। বোলার নাসুম আহমেদের ব্যাটিংয়ে সেরা নৈপুণ্য দেখানোর ম্যাচটি তাই হেরে যেতে হয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দলকে। আর ৪ উইকেটের ব্যবধানে সফরে প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছে নিউজিল্যান্ড ‘এ’।

আগের ম্যাচের একাদশ থেকে বিশ্রামে রাখা হয় পারভেজ ইমন, মাহিদুল অংকন, শামীম পাটোয়ারী, খালেদ আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, রেজাউর রাজা, তানভির ইসলামকে। তাদের বদলে জায়গা পান সাইফ হাসান, ইয়াসির আলী, আফিফ হোসেন, নাসুম আহমেদ, নাঈম হাসান, মুকিদুল মুগ্ধ ও এবাদত হোসেন। কিন্তু সবাইকে ছাপিয়ে যান নাসুম আহমেদ। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট নিজের প্রথম ফিফটির দেখা পান। করেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৭ রান। ৯৭ বলের ইনিংসে ৯ চারের সঙ্গে ১টি ছক্কাও হাঁকান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৩ রান আসে ইয়াসিরের ব্যাটে। সঙ্গে সাইফের ৩১ রান বাদে বাকি ছিলেন আসা-যাওয়ার মিছিলে। আগের ম্যাচে তিনশ পেরোনো দলটি তাই শেষ ম্যাচে অলআউট হয়ে যায় ২২৬ রানে। কিউইদের আদিত্য অশোক ধরেন ৩ শিকার। দুটি করে উইকেট পান ডিন ফক্সক্রফট, জেয়ডেন লেনক্স ও বেন লিসটার।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের উইকেট বিবেচনায় লক্ষ্য বড় না হলেও কিউইদের কিছুটা ভোগান্তিতে ফেলেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে তার আগেই ৭৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন রিস মারিউ ও ডেল ফিলিপস। ৩৩ রানে মারিউকে ফিরিয়ে ওই জুটি ভাঙেন নাসুম। ফিলিপসও দ্রুত ফেরেন ৩৪ রানে। এর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট শিকারের পালায় খেলাটা জমিয়ে তুলেছিলেন বোলাররা। মাঝে জো কার্টারও করেন ৩৩ রান। ১৬৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর হাল ধরেন ফক্সক্রফট ও জ্যাকারি ফোকস। ফোকস ২৮ ও ফক্সক্রফট ৩৬ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ততক্ষণ ম্যাচের বাকি মাত্র ১০ বল। তিন স্পিনার নাসুম, নাঈম ও মোসাদ্দেক সৈকত দুটি করে উইকেট ভাগ করে নেন। ফক্সক্রফট হন ম্যাচসেরা।

এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের ‘এ’ দলের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ জিতে নিয়েছে ২-১ ব্যবধানে। পরের অ্যাসাইনমেন্ট দুটো চার দিনের ম্যাচ। আগামী ১৪ মে যার প্রথমটি শুরু হবে এই সিলেটেই। আর ২১ মে থেকে দ্বিতীয় চারদিনের ম্যাচটি হওয়ার কথা রয়েছে মিরপুর হোম অফ ক্রিকেটে।