বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশারক হোসেনকে মেয়র হিসাবে শপথ নেওয়ার বিষয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত ‘মতামত প্রদান সংক্রান্ত’ শিরোনামে চিঠিটি আইন ও বিচার বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে দেওয়া নির্বাচনী ট্রাইব্যুালের রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের আপীল না করার সিদ্ধান্ত এবং স্থানীয় সরকার আইন ২০০৯ এর ৬ ধারার বিষয়ে আইনী মতামত চাওয়া হয়।
একইসঙ্গে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিমের একই ধরণের রিট খারিজ এবং করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়া বিষয়ে কোনো জটিলতা হতে পারে কি না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। গতকাল সন্ধায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক- ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইশরাক হোসেন-কে বিজ্ঞ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ও যুগ্ম জেলা জজ, ১ম আদালত, ঢাকা এ দায়েরকৃত নির্বাচনী মামলা নং-১৫/২০২০ এর ২৭ মার্চ ২০২৫ তারিখের আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক আপীল দায়ের না করার সিদ্ধান্ত ও স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯ এর ধারা ৬ বিবেচনাক্রমে পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে কোনো আইনগত জটিলতা আছে কি- না, এ বিষয়ে মতামত প্রদানের জন্য আইন ও বিচার বিভাগে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের মামলাটিতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন পক্ষভুক্ত বিবাদী হলেও কমিশন প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করায় মামলাটিতে এক তরফাসূত্রে রায় প্রদান, আরজি সংশোধন সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়কে আমলে না নিয়ে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়, এ রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মহামান্য হাইকোর্ট এ রিট পিটিশন (নং-৮১৩৭/২০২৫) দাখিল, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জনৈক পরাজিত মেয়র প্রার্থীর অনুরূপ আবেদন নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে খারিজ, সিটি কর্পোরেশনের সর্বশেষ নির্বাচনের পরে মেয়াদকাল সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে আইনগত বাধা রয়েছে কি না জানতে স্থানীয় সরকার বিভাগ পত্রটি প্রেরণ করেছে।’