খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সংঘটিত সংঘর্ষ ও শিক্ষক লাঞ্ছিতের ঘটনায় বিচারিক প্রক্রিয়া বিলম্বিত করায় প্রতিবাদ ও দ্রুত ক্লাস শুরুর দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী প্রশাসনিক ভবনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষক সমিতির সদস্যরা। সোমবার (১৯ মে) দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে।
এর আগে রবিবার শিক্ষক সমিতি সব ধরনের প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দেয়। ৪ মে থেকে শিক্ষকরা একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা থেকেও বিরত রয়েছেন। তবে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচির সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য তার কার্যালয়ে ছিলেন না। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র বলছে, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত কাজে ঢাকায় গেছেন।
অবস্থান কর্মসূচি শেষে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফারুক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ফেব্রুয়ারির অনাকাঙি্খত ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুয়েটে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর কাজ শুরু করেছিল। এরপর হঠাৎ মাঝপথে থেমে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম জিম্মি হয়ে আছে বলে মনে হচ্ছে। এই জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ও স্বাভাবিক পরিবেশে ফেরার জন্য শিক্ষকরা উদ্বিগ্ন। শিক্ষার্থীরাও আশ্বাস দিয়েছেন তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
শিক্ষক সমিতির অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে না এবং স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।
এদিকে মঙ্গলবারও উপাচার্যের কার্যালয়ে আবারও শিক্ষক সমিতি অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে বলে জানিয়েছেন সমিতির সভাপতি অধ্যাপক সাহিদুল ইসলাম।