চ্যাম্পিয়নস লিগের পরের আসরে সুযোগ করে নিতে বোর্নমাউথের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির ম্যাচটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ম্যাচটি ৩-১ গোলে জিতে সেই সম্ভাবনাটাও বাড়িয়ে নিয়েছে সিটি। তবে সবকিছুর ওপরে মঙ্গলবারের ম্যাচটি ছিল কেভিন ডি ব্রুইনার। ম্যান সিটির এই কিংবদন্তি গতকালই হোম গ্রাউন্ডে নিজের শেষ ম্যাচটি খেলেছেন। তার বিদায়বেলায় দারুণ কিছু আয়োজন করেছিল সিটি।
২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে সিটিতে যোগ দিয়েছিলেন ডি ব্রুইনা। এরপর ১০ বছরে ক্লাবটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগে ২৮৪ ম্যাচে করেছেন ৭২ গোল সঙ্গে আছে ১১৯টি অ্যাসিস্ট। সব মিলিয়ে সিটির হয়ে ৪২১ ম্যাচে তার গোল ১০৮টি এবং অ্যাসিস্ট ১৭৭টি। এই সময়ে কার্যকারিতা এবং নান্দনিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্তও হয়ে উঠেছিলেন এই বেলজিয়ান তারকা। তাই ৩৩ বছর বয়সী ব্রুইনাকে বিদায় জানাতে কার্পণ্য করেনি ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
ম্যাচ শুরুর আগে পুরো স্টেডিয়াম অন্ধকার করে দেখানো হয় ডি ব্রুইনার কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত। সেই অন্ধকার চিড়ে মাঠে প্রবেশ করেন ডি ব্রুইনা নিজে। সঙ্গে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইটের আলোয় দর্শকরা তাকে স্বাগত জানান। ৬৯তম মিনিটে ডি ব্রুইনাকে তুলে নেন কোচ পেপ গার্দিওলা। বেলজিয়ন তারকা ডাগ-আউটে যেতেই গার্দিওলা তাকে জড়িয়ে ধরেন। এসময় সিটি কোচের চোখে দেখা যায় অশ্রু।
বিদায়ী মুহূর্তে নিজের অনুভূতি জানিয়ে ডি ব্রুইনা বলেন, ‘আমি সৃষ্টিশীলতা এবং আবেগের সঙ্গে খেলার চেষ্টা করেছি। আমি ফুটবল উপভোগ করতে চেয়েছি। আমি আশা করি, সবাই সেটা উপভোগ করেছেন। ক্লাবের ভেতরে বাইরে সবাই আমার সেরাটা বের করে আনতে সাহায্য করেছে। আর আমার সামনে থাকা এই মানুষগুলোই আমাকে আগের চেয়ে ভালো বানিয়েছে। এই মানুষগুলোর সঙ্গে খেলতে পারটা সম্মানের।’